বিরল প্রজাতির দু'মুখো র্যাটলস্নেক
আমেরিকার আরকানসাসের ফরেস্ট সিটিতে পাওয়া গেছে একটি দু'মুখো র্যাটলস্নেক। বিষাক্ত হিসাবে দারুণ পরিচিত মরুভূমির এই সাপ। এমনিতেই সাপ প্রজাতির মধ্যে অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এটি। তার ওপর দু'মুখো র্যটলস্নেকের সন্ধান সত্যিই এক বিরল ঘটনা। এমন বিরল ঘটনা একেবারেই ঘটে না। কাজেই এর ছবি প্রকাশ পাওয়ামাত্র অনলাইনে ভাইরাল হয়ে গেছে। ফেসবুকসহ অন্যান্য সোশাল মিডিয়ায় সাপটির ছবি সত্যিকার অর্থেই সবার মাঝে ভীতি ছড়িয়ে দিচ্ছে।
মার্ক ইয়ং নামের একজন সাপটির ছবি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, সাপটি ধরেছেন কুয়েন্টিন ব্রাউন আর রডনি কেলসো। বিরল প্রাণীটির নাম রাখা হয়েছে ডিউস। এক বিবৃতিতে ইয়ং জানান, ধরার পর ডিউসকে জোনেসবোরোর আরকানসাস গেম অ্যান্ড ফিশ ক্রোলিস রিজ ন্যাচার সেন্টারে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মার্ক পরে এক ফেসবুক পোস্টে জানান, অনেকে ভাবতে পারেন যে একটা ভুয়া একটি ছবি। আসলে সাপটি পুরোপুরি সত্যি। বেশিরভাগ মানুষই এটাকে বিগঘুটে ও ভয়ংকর বলে অভিহিত করেছেন। খুব কম মানুষই এটাকে সুন্দর বলে মত দিয়েছেন।
ফরেস্ট এল উড ক্রোলিস রিজ ন্যাচার সেন্টারের এডুকেশন প্রগ্রাম স্পেশালিস্ট কোডি ওয়াকার জানান, আসলে একটি সাপের দুটো মাথা বলে মনে হচ্ছে না। এখানে আসলে দুটো সাপ একে অপরের সঙ্গে কোনভাবে একেবারে মিশে গেছে। প্রকৃতিতে দু'মুখো সাপ সাধারণ বেশি দিন বাঁচে না।
তবে আরকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি এই সাপটির দেখভাল করছে। এটা যেন সুস্থ থাকে যেস ব্যবস্থাই করছে তারা। নিরাপদ মনে হলে তাকে ন্যাচার সেন্টারে পাঠনো হবে প্রদর্শনের জন্য।


