নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখেন জিহ্বা দিয়ে
অনুশীলন কঠিন বিষয়টিও খুব সহজ করে তুলে। সেটা হোক যেকোনো ধরনের কাজ। অনভস্ত্য বিষয়টি অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে চেষ্টায় সেটা করতে হয়। তবে এর ফলাফল সর্বদায় ইতিবাচক।
আর সেটার একটি উদাহরণ হল ওয়াকোন্টা কাপুন্ডা। তিনি একজন চিত্রনাট্যকার। চার বছর আগে একটি দুর্ঘটনায় তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। যখন তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন, তিনি ভেবেছিলেন যে তার চিত্রনাট্যকার হয়ে উঠার স্বপ্ন এখানেই শেষ। তবে তার স্বপ্নেকে বৃথা যেতে দেননি। হাত নেই তো কি হয়েছে। তার বিকল্প হিসেবে নাটকের স্ক্রিপ্টগুলো লিখেছেন তার জিহ্বা ব্যবহার করে।
চার বছর আগে এক গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে ওয়াকোন্টা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একদিন তাঁর পায়ের কাছে থাকা মোবাইল ফোনটি বাজতে থাকার সময় তা ধরতে পারেননি ওয়াকোন্টা, কারণ তাঁর হাত-পা সব অসাড়।সেদিনই ওয়াকোন্টা সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর মুখ ব্যবহার করে তিনি ফোনের উত্তর দেবেন এবং স্ক্রিপ্টগুলোও মুখ ব্যবহার করেই লিখবেন।
কয়েকটি বালিশের ওপর মোবাইল রাখে তাঁর পরিবার। প্রথমে ওয়াকোন্টা তাঁর থুতনি দিয়ে টাইপ করার চেষ্টা করলেও পারেননি।পরে জিহ্বা দিয়ে চেষ্টা করে দেখেন যে তিনি পারছেন।
ওয়াকোন্টা জানান প্রথমে জিহ্বা দিয়ে টাইপ করাটা বেশ কষ্টকর ছিল-জিহ্বা ব্যথা করতো, এবং তাঁর মাথাও ঘুরাতো। কিন্তু পরে অনুশীলনের মাধ্যমে আস্তে আস্তে দক্ষ হয়েছেন তিনি। তাঁর চলচ্চিত্র দিয়ে মানুষের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগাতে চান বলে জানান ওয়াকোন্টা।


