এলিয়েনদের সাথে কথা বলা যাবে খুব শিগ্গিরিই
এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণী আছে কি নেই তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। অনকে সময় তাদের পৃথিবীতে আগমনের কথাও শোনা যায়। কেউ সমর্থন করেন আবার কেউ উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে বিশ্বাস করতে চান না। তবে এলিয়েনদের সাথে কথা বলার ইচ্ছে সবার মধ্যেই আছে। সত্যিই কি সম্ভব কথা বলা? সেই নিয়ে জল্পনাও বিস্তর। শোনা যাচ্ছে খুব শিগ্গিরিই কথা বলা যাবে। কীভাবে?
এলিয়েনদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করা যায় সেই নিয়ে বহুদিন ধরে বহু গবেষণা চলছে। সম্প্রতি নতুন পথের সন্ধান দিয়েছেন ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট রেনে হেলার এবং র্যাল্ফ পুদ্রিত্জ। তাঁদের বক্তব্য আমরা যেভাবে এলিয়েনদের খুঁজে চলেছি মহাকাশে ঠিক তেমন করেই হয়তো ওরাও আমাদের খুঁজছে।
এলিয়েনরা যে সূত্র ধরে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধান করতে পারে, সেই পথেই যদি হাঁটেন পৃথিবীর গবেষকরা তবে এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটা সম্ভব, এমনটাই বলছেন দুই গবেষক।
তাঁদের বক্তব্য মহাজাগতিক ছায়া দেখে বোঝা যেতে পারে কোথায় কোথায় প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে। ওই দুই বিজ্ঞানী বলছেন, পৃথিবীর ট্রানজিট জোনে এ রহস্যের সমাধান লুকিয়ে থাকতে পারে। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে যখন প্রদক্ষিণ করে তখন মহাকাশে তার একটি ছায়া পড়ে। ওই ছায়াময় অঞ্চলটিকেই বলে পৃথিবীর ট্রানজিট জোন।
পৃথিবীর উপর নজর রাখতে চাইলে এলিয়েনরা ওই ট্রানজিট জোনে নজরদারি করতে পারে বলে তাঁদের বক্তব্য। তাই পৃথিবীর বিজ্ঞানীরাও যদি ট্রানজিট জোনে নজর রাখেন তবে এলিয়েনদের খোঁজ পাওয়া সম্ভব সহজে। ওই জোনে রয়েছে বহু সৌরজগত এবং সেগুলিতেই এলিয়েনদের সন্ধান করার কথা বলেছেন ওই দুই বিজ্ঞানী। এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি ‘ব্রেকথ্রু লিস্ন ইনিশিয়েটিভ’-এরও প্রস্তাব দিয়েছেন তাঁরা।


