English Version
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৪:৩২

গ্যারান্টি! এই সব মদের নামই শোনেননি কোনদিন!

অনলাইন ডেস্ক
গ্যারান্টি! এই সব মদের নামই শোনেননি কোনদিন!

 

এমন সব মদ, যাদের নাম আপনার কল্পনার অতীত। কোনদিন শোনেননি। একটি গল্প প্রচলিত আছে, কোনও এক সুরারসিক কবি এক গঙ্গাজল-মার্কা কবিকে একদা বলেছিলেন, ‘‘মদ না হলে কবিতা হয় না।’’ একটু চুপ থেকে গঙ্গাজল উত্তর দিয়েছিলেন, ‘‘হ্যাঁ, তোমার মতো মদনা হলে কবিতা সত্যিই হয় না।’’ কবিতা ও মদ্যের সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গি। কবিরা মদ খান। খেয়ে কবিতা লেখেন। কবিতার খ্যাতি হয়। কবির যশ হয়। কিন্তু মদের কী হয়? কী পায় মদ কবিতার কাছ থেকে? মদের দুঃখে কয়েকজন বাঙালি কবি শেষমেশ কলম ধরলেন। প্রিয় পানীয়ের নামগুলিকে বঙ্গানুবাদের একটা প্রকল্প গ্রহণ করলেন তারা। তাতে যা দাঁড়াল, তারই কিছু উদাহরণ রইল রসিক পাঠকের জন্য।

• ডিরেক্টরস স্পেশ্যাল— পরিচালকের বিশেষ। নেহাত বিনম্র। ছাপোষা মাতালের পকেটসই অ্যাম্বিশন।

• রয়্যাল স্ট্যাগ— রাজকীয় হরিণ। ‘সোনার হরিণ’ নয় মামু, পহা ফেললেই পাওয়া যায়।

• ইম্পিরায়্যাল ব্লু— সাম্রাজ্যবাদী নীল। বুঝেশুনে সেবন।

• অ্যান্টিকুইটি ব্লু— পুরাতাত্ত্বিক নীল। একান্তভাবেই নস্ট্যালজিকদের জন্য।

• রয়্যাল চ্যালেঞ্জ— রাজকীয় প্রতিস্পর্ধা। সামলে!

• ব্ল্যাক ডগ— কৃষ্ণ সারমেয়। তবে আন্তরিকভাবে ডাকলে ‘কেলে কুত্তো’ বা অতি আদরে ‘কালুয়া’।

• ওল্ড মঙ্ক— বৃদ্ধ সাধু। হুঁ হুঁ বাওয়া, ‘কাল কা যোগী’ নন।

• জনি ওয়াকার— পদসঞ্চারণকারী জনি। ‘আসছে নেশা আসছে’।

• হোয়াইট মিসচিফ— শ্বেত অসভ্যতা। ছ্যাবলা ‘মাল’।

• সিগনেচার— স্বাক্ষর ।(সিগনেচার-আসরের ডাকনাম ‘সিগনেচার ক্যাম্পেন’) সিরিয়াস অ্যাকাডেমিশিয়ানদের জন্য।

• ব্লেন্ডার্স প্রাইড— মিশ্রকের গৌরব। কম্প্রোমাইজ করতে ভালবাসে, সেইসব মিডিওক্রিটিকে সামলায়।

• অ্যাবসলিউট— পরম। একেশ্বরবাদীদের জন্য আদর্শ।

এর পরে যা যা বাকি রইল, তা আপনারাই সামলান। তেমন বুঝলে লিখে জানান।