দেহ বিক্রি করে বিশ্বভ্রমণ!
নাম, মনিকা লিন। বয়স, ২৫। এর মধ্যেই ইনি দুবাইয়ে ক্যামেল ট্রেকিং থেকে শুরু করে হংকং-এ শপিং সেরে ফেলেছেন। কিন্তু এর জন্য কানাকড়িও তিনি খরচ করেননি। এজন্য তাকে কোন টাকাও জমাতে হয় না। তাহলে কিভাবে আসে এই অর্থ?
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে বিশ্বভ্রমণের জন্য মনিকা স্রেফ অনলাইনে বিত্তবান পুরুষ বন্ধু জোগাড় করেন। একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মনিকা বিভিন্ন দেশে নিত্যনতুন বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই সব বন্ধু বিত্তবান এবং বেড়াতে যাওয়ার জন্য তাঁরা নারীসঙ্গকে আবশ্যক বলে মনে করেন। মনিকার শপিংসহ পুরো খরচ তারাই বহন করেন। পরিবর্তে মনিকাকে দিতে হয় তাঁর শরীর।
এ বিষয়ে মনিকা বলেন, নয়টা-পাঁচটা চাকরি করলে এই সব দেশ ঘুরতে দশ বছরের বেশি সময় লেগে যেত। অত অপেক্ষা করার সময় আমার নেই। প্রথমে ভেবেছিলাম, ঠিক করছি তো? একটা দ্বিধা ছিলই। তার পরে একদিন শুরু করেই দিলাম। আমেরিকার বাসিন্দা এই তরুণীর সাফ কথা, এইভাবে বেড়ানোর আগে কোনওদিন আমেরিকার বাইরে পা রাখিনি। এখন পাসপোর্ট ভরে এসেছে। পুরো দুনিয়াটাই আমার সামনে উন্মুক্ত।
শুরুটা হয়েছিল বার্বেডস দিয়ে। একটি বহুজাতিক সংস্থার ৩১ বছর বয়সি ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সঙ্গে এক সপ্তাহের জন্য ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে কাটিয়েছিলেন তিনি। এমন লোকও আছেন যিনি মনিকার সঙ্গে একবার বেড়াতে যাওয়ার পরে তাঁর ফ্যান হয়ে গিয়েছেন। যেখানেই বে়ড়াতে যান, মনিকাকে চাই-ই।
এই ‘বেড়ানো’ তে সেক্স করা কি রআবশ্যিক শর্ত? মনিকা বলছেন, না। সেক্সের কথা প্রথমে বলা হয় না। কিন্তু দু’জন নারী-পুরুষ বেড়াতে যাবেন একসঙ্গে, এক বিছানায় শোবেন আর যৌনতা থাকবে না, এটা হয়?


