English Version
আপডেট : ১০ জানুয়ারি, ২০১৬ ১৫:৩৪

বাদ দেওয়া হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি ‍আইনের ৫৭ ধারা

অনলাইন ডেস্ক
বাদ দেওয়া হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি ‍আইনের ৫৭ ধারা

 

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন-২০১৬ পাস হলে তথ্যপ্রযুক্তি ‍আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ধারা বাদ দেওয়া হবে।

রোববার আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের আইনটির খসড়া নিয়ে বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। 

তিনি বলেণ, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে তথ্যপ্রযুক্তি ‍আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো স্পষ্ট করা হবে। এ কারণে ৫৭ ধারা নিয়ে যে শঙ্কা তা আর থাকবে না।

বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক (এমপি) ও আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬’ (সংশোধনী ২০১৩) প্রণীত হয়। এই আইনের ৫৭ ধারা, ওয়েব সাইট বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কার্যকলাপের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ করেছে। 

আইনে বলা হয়েছে ধারা- (৫৭/১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসত্য হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহলে তার এই কার্য হবে একটি অপরাধ। 

আর এই অপরাধের সাজা সংশোধনীর মাধ্যমে নিম্নে ৭ বৎসর থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বৎসর পর্যন্ত করা হয়েছে। সাথে অর্থদণ্ডের বিধান ও রাখা হয়েছে। 

এই আইন পাশ হবার পর ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই আইনের বাতিলের জন্য আন্দোলনে নামেন। আইনটি পাশ হবার পর নানা বিতর্ক তৈরি হয়।