সূর্যের দেশে যাচ্ছে ভারতের 'আদিত্য-এল ওয়ান'
এবার সূর্যের দেশে যাচ্ছে ভারত! এই প্রথম। আর ভারতের এই আসন্ন সৌর অভিযানে মূল দু’টি গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন দুই বাঙালি। একজন বেঙ্গালুরুর। অন্যজন কলকাতার।
একজন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী দীপঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যজন কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ইন স্পেস সায়েন্সেস ইন্ডিয়ার (সেসি) প্রধান বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী দিব্যেন্দু নন্দী।
নাসা আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ বা ‘এসা’) পর ভারতই যাচ্ছে সূর্যের অত কাছাকাছি। পৃথিবী আর সূর্যের মধ্যে এক অভিনব কক্ষপথে। যার নাম- ‘ল্যাগরাঞ্জিয়ান পয়েন্ট’। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। যেখানে এক বছর শুধু সামনে থেকে সূর্যের ওপর লক্ষ্য রেখে যাবে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি উপগ্রহ ‘আদিত্য-এল ওয়ান’।
আর তা যেন কোনও উপগ্রহ নয়! সূর্যকে পাক মারবে সে একেবারে পৃথিবীর ঢঙে। পৃথিবীর নিজস্ব নিয়মে, নির্দিষ্ট অঙ্কে। মানে, সূর্যকে পুরোপুরি একটা পাক মারতে যেমন একটা বছর বা ৩৬৫ দিন লাগে পৃথিবীর, তেমনই এক বছর ধরে সূর্যের পিছন দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই ‘আদিত্য-এল ওয়ান’-এরও। ফলে, ‘ল্যাগরাঞ্জিয়ান পয়েন্ট’-এ এক বছর ধরে ভারতের পাঠানো উপগ্রহটি যে শুধুই সামনে থেকে সূর্যের ওপর নজর রাখবে, তা-ই নয়, পৃথিবী থেকে তা আমাদেরও চোখে চোখে থাকবে কম করে ৩৬৫ দিন, সূর্য তাকে আড়াল করে দিতে পারবে না ।


