তামিমকে নিয়ে বড় ধরণের আশঙ্কা
ঢাকা: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তামিম ইকবালকে নিয়ে শঙ্কা বেড়েই গেল। ম্যাচের আগের দিন ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন তিনি। সেটার ওপরই নির্ভর করছে তার খেলা। জিম্বাবুয়ে পৌঁছে ঠিকমতো অনুশীলনও করতে পারেননি তামিম। দুইদিনের প্রস্তুতি ম্যাচেও শুরুতে নাম ছিল না, শেষদিকে কেবল ঘন্টাখানেক ব্যাটিং করেছেন। ৭.১ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ যখন ২২, তামিম তখন করেছেন ১৮। হাঁকিয়েছেন ৪টি বাউন্ডারি।
এতে উল্টো বেড়েছে শঙ্কা। তামিমের পায়ের ব্যথা ক্ষণে ক্ষণে বেড়েছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের পর বাংলাদেশ খেলবে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি। ওয়ানডে অধিনায়কের চোটের অবস্থা গুরুতর হলে এই সফরের কোনো ম্যাচেই খেলা হবে না। তবে তার চেয়েও বড় শঙ্কার ব্যাপার হল- তামিমের এই চোট তাকে মাঠের বাইরে রাখতে পারে প্রায় এক বছর।
তামিমের চোট ডান পায়ের হাঁটুতে। এই পায়ে ব্যথার কারণে ঠিকঠাক দৌড়াতেও পারছেন না। ব্যথা বেড়ে গেলে কেবল বিশ্রামেই থাকা লাগতে পারে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ। পুনর্বাসন মিলিয়ে মাঠে ফেরার ফিটনেস ফিরে পেতে লেগে যাতে পারে এক বছর।
স্বভাবতই দল তামিমকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে নারাজ। এই চোটের কারণে ডিপিএলের সুপার লিগ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের তারকা। এরপর ছিলেন পূর্ণাঙ্গ বিশ্রামে।
দলীয় সূত্রের খবর, তবে সীমিত ওভারের দুই ফরম্যাটে খেলতে পারেন তিনি। এদিকে মুশফিকের খেলা অনেকটাই নিশ্চিত। বাম হাতের ইনডেক্স ফিঙ্গারে সূক্ষ্ম চিড় নিয়ে জিম্বাবুয়ে গেছেন মুশফিক। বোর্ডের মেডিক্যাল বিভাগ জানিয়েছেন, পুরোপুরি সেরে উঠেছেন তিনি। ফিজিওর পরামর্শে বাড়তি সতর্কতার জন্য প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেননি মুশফিক।


