আইপিএলে মধ্যবর্তী দলবদল অযৌক্তিক!
ইউরোপিয়ান ফুটবলে দারুণ জনপ্রিয় মধ্যবর্তী দলবদল। এবারের আইপিএলের মাঝপথেও এমন নিয়ম চালু রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। তবে তা দেখছে না আলোর মুখ! ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের অনাগ্রহেই মূলত সেটি মুখ থুবড়ে পড়ছে! আইপিএলের ১১তম সংস্করণে ২৮ থেকে ৪২তম ম্যাচ পর্যন্ত ট্রান্সফার উইন্ডো খোলা থাকবে। তবে তাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ফলে আদৌ এর অস্তিত্ব থাকবে কি না-সেই সংশয় দেখা দিয়েছে। চাউর হয়েছে, নিয়মকানুনে জটিলতার কারণে এতে প্রাধান্য দিচ্ছে না তারা।
নিয়ম অনুযায়ী, স্কোয়াডে থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো ম্যাচ খেলেননি বা তুলনামূলক কম ম্যাচ খেলেছেন, এমন খেলোয়াড়দের ছেড়ে দিতে পারবে যে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদের মধ্য থেকে পছন্দসই খেলোয়াড় ডেরায় ভেড়াতে পারবে যে কেউ।
এ নিয়মের গ্যাঁড়াকলে পড়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো! তাদের শঙ্কা, এতে তুরুপের তাসও হারাতে হতে পারে। ফলে তাতে আগ্রহ দেখায়নি কোনোটিই।
এক ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক বলেন, উদ্যোগটা প্রশংসনীয় ছিল। তবে নিয়মগুলোয় অনেক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রায় সব দলেই ২৫ বা এর বেশি খেলোয়াড় চুক্তিবদ্ধ আছে। এর মধ্যে অনভিষিক্ত কাউকে নেয়ার দরকার কী? যদি বড় তারকাদের ভেড়ানোর উপায় থাকত, তা হলে হয়তো চিন্তা করে দেখা যেত।
দুই সপ্তাহব্যাপী ট্রান্সফার উইন্ডোর এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ পেরিয়ে গেছে। তবে তাতে এখনও কোনো দল আগ্রহ দেখায়নি। সামনেও ন্যূনতম সম্ভাবনা নেই। অবশ্য আশায় বসে আছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। কারণ, বাকি আছে আরও প্রায় দেড় সপ্তাহ!
ইউরোপিয়ান ঘরোয়া লিগগুলোতে ভীষণ জনপ্রিয় মধ্যবর্তী দলবদল। লিগের মাঝপথে খেলোয়াড় অদল-বদল করে ক্লাবগুলো। ফুটবলে বিষয়টি বেশ আলোচিত।
ক্রিকেটে এর প্রবর্তন ঘটিয়ে আলোচনার জন্ম দিতে চেয়েছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও বিসিসিআই। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অসম্মতিতে শেষ পর্যন্ত সেটি আর সাফল্যের মুখ দেখবে বলে মনে হয় না।


