সেঞ্চুরির উৎসবে মেতেছে প্রোটিয়ারা!
টেস্টে এক ইনিংসে ৪ সেঞ্চুরি ক্রিকেট ইতিহাসে বিরল ঘটনা নয়। বরং এক ইনিংসে ৫ সেঞ্চুরির ইতিহাস আছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে সেটা দ্বিতীয় ইনিংসে। সেটি ১৯৫৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করেছিল অজিরা। ২০০১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানেরও ৫ ব্যাটসম্যন দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। তবে প্রথম ইনিংসে এখনও সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা ৪টি। ২০০৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগা টেস্টের প্রথম ইনিংসে এবি ডি ভিলিয়ার্স, গ্রায়েম স্মিথ, জ্যাক ক্যালিস আর অ্যাশওয়েল প্রিন্স সেঞ্চুরি করেছিলেন। আজ সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলো বাংলাদেশের বিপক্ষে।
বৃষ্টির কারণে ব্লুমফন্টেইন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হতে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। প্রথম দিনে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার। আজ খেলা শুরুর পরপরই তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেন হাশিম আমলা।
১১৩ বলে ক্যারিয়ারের ২৮তম সেঞ্চুরি তুলে নিতে আমলা ১৪টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন। এর কিছু পরেই ১৪৭ বলে ১২ বাউন্ডারিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৭ম সেঞ্চুরি তুলে নেন অধিনায়ক ফাফ ডু-প্লেসিস। দুজনের জুটি ২০০ রান অতিক্রম করেছে। ৩ উইকেটে ৪২৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে প্রোটিয়ারা। ম্যাচের প্রথম দিনটি ছিল স্বাগতিকদের। জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন দুই ওপেনার। ডিন এলগার ১১৩ এবং ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা এইডেন মার্করাম ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ১৪৩ রানে রুবেল হোসেনের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এলগারের সঙ্গে তার ওপেনিং জুটি ছিল ২৪৩ রানের।
এই রান উৎসবের মাঝে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কেবল ৩টি উইকেট। ম্যাচের ৫৩.৪ ওভারে সেঞ্চুরিয়ান ডিন এলগারকে (১১৩) মুস্তাফিজুর রহমানের ক্যাচে পরিণত করে দিনের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন পেসার শুভাশিস রায়। এইডেন মার্করামকে ১৪৩ রানে সরাসরি বোল্ড করে দেন আরেক পেসার রুবেল হোসেন। শুভাশিস রায়ের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন টেম্বা বাভুমা (৭)।


