খেলোর মাঠ থেকে এখন যারা রাজনীতির মাঠে
ইমরান খান নিয়াজি পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারদের একজন। তাঁর অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয় করে।
১। মোহাম্মাদ আজহারউদ্দীন হলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার। তিনি একজন মার্জিত ব্যাটসম্যান ছিলেন এবং ১৯৯০ শতকে ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে অর্জুন পুরস্কার লাভ করেন। আজহারউদ্দিন লোকসভায় ভারতের সংসদ নিম্ন কক্ষ থেকে উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদ এর নির্বাচকমণ্ডলী থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস একজন সদস্য হিসেবে জয়লাভ করেন।
২। ক্রিকেটের মাঠের সবচেয়ে বড় তারকা ভারতের শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। খেলা ছাড়ার পর রাজনীতিতেও নাম লিখিয়েছেন। ২০১২ সালে রাজ্যসভায় সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
৩। মোহাম্মদ কাইফ হলেন একজন ভারতীয় ক্রিকেটার। তিনি অনুর্দ্ধ-১৯ দলে অসাধারণ নৈপূণ্য প্রদর্শনে পরে জাতীয় দলে জায়গা করে নেন। যেখানে তিনি ২০০০ সালের অনুর্দ্ধ-১৯ বিশ্বকাপ ভারতীয় দলের হয়ে অধিনায়কত্ব করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন এবং উত্তর প্রদেশের ফুলপুর থেকে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে হেরে গেছেন।
৪। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন ক্রিকেটার প্রবীণ কুমার। ভারতের উত্তরপ্রদেশের এই ক্রিকেটার নাম লেখান রাজ্যের শাসক দল সমাজবাদী পার্টিতে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের উপস্থিতিতে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন প্রাবীণ।
৫। আথেন্স অলিম্পিকে রুপোর পদকজয়ী ভারতীয় শুটার রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীও হয়েছেন। বর্তমানে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়েছে। ইতিপূর্বে, রাজ্যবর্ধন কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
৬। নবজ্যোত সিং সিধু একজন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার এবং ভারতীয় সংসদ সদস্য।
৭। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে দাঁড়িয়ে হেরেছেন ফুটবলার বাইচুং ভাটিয়া। উইজডেন ইন্ডিয়া অ্যালমানাক ২০১৬ এর মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন তিনি।
৮। খেলা ছেড়ে দেয়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন দিলীপ তির্কে। দিলীপ তির্কে ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন।


