শততম টেস্টে শতভাগ উজার করে দিতে হবে: ওয়ালশ
'নার্ভাস নাইন্টি'তে দাঁড়িয়ে গলে বড় পরাজয়ের পর সেঞ্চুরি ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় টিম টাইগার। গলে খেলেছিলেন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের তিন শিষ্য- তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং শুভাশিস রায়। কলম্বো টেস্টের উইকেট বিবেচনায় একজন কম পেসার খেলানোর সম্ভাবনা বেশি। তবে তাসকিন আর মুস্তাফিজ যে খেলবেন এটা নিশ্চিত। কেউ খেলুক আর না খেলুক, বোলারদের কাছ থেকে সেরাটা চান এই ক্যারিবীয় কিংবদন্তি।
শততম টেস্ট উপলক্ষে ইতিমধ্যেই নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অবশ্য সেগুলো মাঠের বাইরে। আসল কাজ তো হবে মাঠে ঐ ২২ গজের ভেতর। ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে হলে ঐ ২২ গজেই ঝড় তুলতে হবে পেসারদের। কিংবা সাকিব-মিরাজকে হাতের কারুকাজে তুলতে হবে 'ঘূর্ণিঝড়'। তবেই না বহু আকাঙ্খিত জয়টি এসে ধরা দেবে। টেস্ট জয়ের চাইতে বড় ঘটনা আর হতে পারে না উল্লেখ করে ওয়ালশ বলেন, "শততম টেস্ট দারুণ একটা মাইলফলক। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এটা খুবই গর্বের মুহূর্ত। ক্রিকেটাররা নিজেদের সর্বশক্তি দিয়েই এই ম্যাচটায় ভালো করবে বলে আশা করি। আমি চাই প্রত্যেকেই এই ম্যাচে নিজের সেরাটা দিক। "
গলে বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে খেললেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলো নিয়েছেন স্পিনার মিরাজই। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে ওয়ালশ শিষ্যদের অনেকটা আড়াল করে তিনি বললেন, "গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বোলিং করাটা সব সময়ই খুব চ্যালেঞ্জিং। গলে তিন পেসারকে পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। তাই আমরা শ্রীলঙ্কার ২০ উইকেট নিতে পারিনি। তবে টেস্ট ক্রিকেটে সব সময়ই খেলোয়াড়দের সেরাটা দেওয়া উচিত। গরম ও আর্দ্র কন্ডিশনেও নিজেদের একটু গুছিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। এই টেস্টে আগের অভিজ্ঞতা অবশ্য বেশ কাজে লাগবে। "
সেইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পি সারা ওভালের উইকেটে নিজেদের উজার করে দেবে বাংলাদেশ। টেস্টে যে কোনো কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে দীর্ঘসময় ম্যাচে থাকাটাই হলো মূল কথা। এরপরেই বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ওয়ালশ বললেন, তার শিষ্যরা এখনও অনভিজ্ঞ। অনেক পথ হাঁটতে হবে তাদের। দেশ বা দেশের বাইরে যত ম্যাচ খেলবে ততই শিখতে পারবে তারা। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উজ্জল ভবিষ্যতই দেখছেন তিনি।


