English Version
আপডেট : ২৫ মার্চ, ২০১৬ ২০:০৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের বিদায়

অনলাইন ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের বিদায়

হারলেই বিদায়। এমন কঠিন সমীকরণ নিয়েই খেলতে নামে পাকিস্তান। ইতিহাস বলে চাপে নাকি ওরা ভালো খেলে। কিন্তু এতোটা চাপ কি সহ্য করা যায়? টস জিতে শুরু ব্যাটিং করে স্মিথের অনবদ্য ৬১ রানে ভরকরে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে তুলে অস্ট্রেলিয়া। মানুষ চাপের কাছে বির্ধ্বস্ত আফ্রিদি বাহিনী শেষ পর্যন্ত চন্ডিগড়ের মোহালির আই এস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে ২১ রানে হার নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো।

শেন ওয়াটসন আর স্টিভেন স্মিথের ঝড়েই মূলতঃ বিশাল এই স্কোর গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়ানরা। ৪৩ বলে অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক স্মিথ। ৭টি বাউন্ডারির মার ছিল তার ইনিংসে। ২১ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন শেন ওয়াটসন। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কার মারও মারেন তিনি।

এছাড়া ১৮ বলে ৩০ রানের ঝড় তুলেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও। তার ইনিংস সাজানো ছিল ৩টি বাউন্ডারি এবং ১টি ছক্কায়। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৮ রানে উসমান খাজার উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ১৬ বলে ২১ রান করেন খাজা। ১৬ বলে ১৫ রান করেন অ্যারোন ফিঞ্চ। প্রথম দুই ম্যাচে বসিয়ে রাখার পর অবশেষে সুযোগ দেয়া হলো ফিঞ্চেকে।

তার আগে আউট হন ডেভিড ওয়ার্নার। তিনি করেন ৬ রান। ১১৯ রানের মাথায় আউট হন ম্যাক্সওয়েল। স্মিথ আর ওয়াটসন মিলে গড়েন ৭৪ রানের জুটি। পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজ এবং ইমাদ ওয়াসিম নেন ২টি করে উইকেট। মোহাম্মদ সামি ৪ ওভার বল করে রান দেন ৫৩। মোহাম্মদ আমির দেন ৩৯।

১৯৪ রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুতে ভালোই জবাব দিচ্ছিল পাকিস্তান। তৃতীয় ওভারেই আহমেদ শেহজাদ ও শারজিল খান ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন। ১৯ বলে ৩০ রান করে শারজিল বিদায় নিয়েছেন ফকনারের বলে বোল্ড হয়ে, কিন্তু পাকিস্তান আস্কিং রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গেছে অনেকটা সময় ধরে। খালিদ লতিফের ব্যাট আশা দেখাচ্ছিল, ৪১ বলে ৪৬ করার পর তাঁকেও ফিরিয়ে দেন ফকনার। বাকি সময়টায়ও অস্ট্রেলিয়ান এই পেসারই সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। একে একে তুলে নেন ইমাদ ওয়াসিম, সরফরাজ আহমেদ আর ওয়াহাব রিয়াজকে। শেষ দিকে ২০ বলে অপরাজিত ৪০ রান করে শোয়েব মালিক একা লড়েছেন কিছুক্ষণ। কিন্তু আস্কিং রানরেট এত বেড়ে গিয়েছিল যে তাঁর একার পক্ষে আর ম্যাচ বের করে আনা সম্ভব হয়নি। ২৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরাও ফকনারই।