ডিএসইতে লেনদেন কমেছে
বিদায়ি সপ্তাহের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমেছে ১৭.৯০ শতাংশ। যা এর আগের সপ্তাহে বেড়েছিল ১৪.২৬ শতাংশ । ডিএসই’র সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। দৈনিক গড় হিসাবে এই লেনদেনের পরিমাণ ৩২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯৭১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং গড় লেনদেন হয়েছিল ৩৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
মোট লেনদেনের ৮৬.৬৭ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ০.৯২ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১১.৯৫ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০.৪৫ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহের লেনদেনে ১৩.৮২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩৮১.৪৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ সূচক ১৪.৯১ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১.৯১ পয়েন্ট কমেছে।
গতসপ্তাহে লেনদেন হওয়া ৩২৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৬টি’র দর বেড়েছে। এ ছাড়া দর কমেছে ১৫৯টি’র ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি’র।
গত সপ্তাহের লেনদেনে ডিএসই’র মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত কমেছে ০.৩৭ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে পিই ছিল ১৪.৩৭। যা ০.০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.৩২ পয়েন্টে। এ সময়ে বাজার মূলধন কমেছে ০.২৭ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকায়।
সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার। এ সময়ে কোম্পানিটির ৯৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- বাংলাদেশ বিল্ডিং সিষ্টেমস, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, ন্যাশনাল ফিড মিল, স্কয়ার ফার্মা, ইবনে সিনা, আমান ফিড, ডরিন পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ওরিয়ন ইনফিউশন।


