English Version
আপডেট : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:০৫

স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য অালাদা বোর্ড: বিএসইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য অালাদা বোর্ড: বিএসইসি

স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য আলাদা বোর্ড গঠনের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যার নাম দেয়া হয়েছে স্মল ক্যাপ বোর্ড।

মঙ্গলবার বিএসইসির ৫৬৫ তম কমিশন সভায়  এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অবশ্য এ জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ‘স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম’ নামে আলাদা প্লাটফর্মও গঠন করা হবে।

বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই বাজারে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না এবং শেয়ারধারীদের শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত লক-ইন থাকবে। বাজারে লেনদেনের তারল্য বজায় রাখার জন্য ইস্যুয়ার কোম্পানিকে কমপক্ষে ৩ বছরের জন্য মার্কেট মেকার নিয়োগ করতে হবে। এই বাজারের কোম্পানিগুলোর শেয়ার ডিমেটারিয়ালাইজ ফরমে হবে অর্থাৎ শেয়ার কাগুজে হতে পারবে না। শেয়ার লেনদেন হবে ইলেকট্রনিক ট্রেডিং প্লাটফর্মে এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় হবে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বাজারের মতো। আর শেয়ার লেনদেন হবে স্টক ব্রোকারদের মাধ্যমে।

স্বল্প মূলধনী কোম্পানি তালিকাভুক্তির জন্য ন্যূনতম ফি ও অন্যান্য খরচ ধার্য করা হবে। তবে কমপ্লায়েন্সের বাধ্যবাধকতা বর্তমান প্রচলিত আইপিওর চেয়ে হ্রাস করা হবে। স্টক এক্সচেঞ্জকে কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে, স্মল ক্যাপ বোর্ডের আওতায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা থাকতে হবে। আর তালিকাভুক্তির পর পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা করতে হবে। তবে সর্বোচ্চ পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকার নিচে থাকতে হবে।

স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তির জন্য ‘কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার’ বা ‘কিউআইও’-এর মাধ্যমে পুঁজি উত্তোলন করতে হবে। আর স্বল্প মূলধনী কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হওয়া বাজারে শুধু কোয়ালিফাইড ইনভেস্টররা লেনদেন করতে পারবেন। তবে এটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজার উন্মুক্ত থাকবে নয়।

কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর বলতে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সম্যক ধারণা রয়েছে এমন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ নিট সম্পদধারী ব্যক্তিকে বোঝাবে। কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর চিহ্নিত করতে সিডিবিএল ভিন্ন ধরনের বিও হিসাব প্রণয়ন করবে।