৪ উপায়ে কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠুন অনন্য কর্মী
শেখার আগ্রহ শেখার কোনো শেষ নেই, সবাই জানেন। একজন মানুষের শেখার আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করে সবাই। পেশাজীবনে প্রতিষ্ঠান তেমন কর্মীদেরই পছন্দ করে, যাঁদের শেখার আগ্রহ আছে। ক্যারিয়ার বিষয়ে সব সময় শেখার মধ্যে থাকতে হবে। এতে ব্যক্তিগত এবং পেশাগত দুটো জীবনই সমৃদ্ধ হবে। ‘থ্যাংক ইউ ফর বিয়িং লেট’ বইয়ের লেখক এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রাবন্ধিক থমাস এল ফ্রিডম্যান বলেন, ‘আপনি যদি পরিবর্তনের গতিকে সর্বোচ্চ করতে চান, তবে জীবনভর শেখার ইচ্ছা থেকে সেরা প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারেন। ’ নিজের আবিষ্কারে বিরতি যন্ত্রের মতো নিয়মিত কাজ করে গেলেই হবে না। এটা অবশ্য ভালো বিষয়; কিন্তু স্বাতন্ত্র্যবোধের উন্মেষ ঘটাতে হবে। এ জন্য বিরতি নিন। নিজেকে জানার চেষ্টা করুন। আপনার মধ্যে আরো অনেক গুণ হয়তো লুকিয়ে রয়েছে। এগুলো আবিষ্কারের নেশা থাকতে হবে। কাজের ফাঁকে স্বল্প পরিসরেও কাজটি করতে পারেন। অহংবোধে ঘষামাজা প্রত্যেকেরই ‘ইগো’ বা অহংবোধ রয়েছে। এটা আসলে আত্মসম্মান এবং আত্মমর্যাদা প্রকাশের সহজাত প্রক্রিয়া। সমস্যাটা তখনই হয়, যখন মানুষ একে সামলে নিতে পারে না। অনিয়ন্ত্রিত ইগো মানুষকে ধ্বংস করে দিতে পারে। পরিবর্তন মানিয়ে নেওয়া কর্মক্ষেত্র বা ব্যক্তিগত জীবন, সবখানে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে থাকে। একে গ্রহণ করে নিন। রক্ষণশীলতা সবখানে খাটে না। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের পরিবর্তন আসতেই থাকে। একে মেনে নিতে হবে। নয়তো সবার পেছনে পড়ে থাকবেন।


