English Version
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৬:৫৬

বিষণ্নতা কাটাবে যে খাবারগুলো!

অনলাইন ডেস্ক
বিষণ্নতা কাটাবে যে খাবারগুলো!

বিষণ্নতা একটা মানসিক ব্যাপার- এ কথা ঠিক। কিন্তু এও তো সত্য যেমন দেহবহির্ভূত কোনো ব্যাপার নয়।

ফলে দেহের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে বিষণ্নতার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। এখানে কয়েকটি খাবারের কথা তুলে ধরা হলো, যেগুলো দেহের বিষণ্নতাকেন্দ্রিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে অনুকূলে রাখতে সহায়তা করে।    দই দই শুধু পুষ্টিকর খাবারই নয়, এর আরো বহু গুণ আছে। দই একটি প্রোবায়োটিক খাবার। এতে বহু ব্যাকটেরিয়া থাকলেও তা দেহের উপকারই করে। নেদারল্যান্ডসের গবেষকরা বলছেন, দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক খাবার মানসিক সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। এটি বিষণ্নতা কমানোর পাশাপাশি মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা বাড়ায়; উদ্বেগ কমায়। আশঙ্কা কমায় অটিজমের। আবেগগত অন্যান্য রোগ উপশমেও সহায়তা করে।

চিংড়ি চিংড়ির উপাদান মানসিক সুস্থতার জন্য কাজ করে। গবেষকরা বলছেন, প্রতি সপ্তাহে দুবার চিংড়ি খেলে তা বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সেরাটোনিন নামে দেহের একটি হরমোনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে চিংড়ি। এটি আপনার মুড ঠিক রাখবে এবং বিষণ্নতা দূর করবে।

বাদামি চাল ও ওটমিল সাদা ধবধবে চাল নয়, বরং বাদামি রঙের চাল স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো তেমনি তা বিষণ্নতা দূর করতেও ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা নিয়মিত বাদামি চাল বা ওটমিলের মতো খাবার খায় তাদের বিষণ্নতার মতো মানসিক সমস্যা কম হয়।

সাদা মাংস প্রোটিনের প্রয়োজনে অনেকেই লাল মাংস (স্তন্যপায়ী প্রাণী) বাদ দিয়ে সাদা মাংস (মুরগি, মাছ ইত্যাদি) খাওয়ার কথা বলেন। আর এ সাদা মাংসই বিষণ্নতা দূর করতে কাজ করে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

ভুট্টার খই পপকর্ন বা ভুট্টার খই দেহের সেরোটোনিন নামক হরমোনের মাত্রা বাড়ায়। একে ভালো অনুভূতির হরমোন বলা হয়। এ হরমোন দেহে বাড়লে মন ভালো হয়। আর এতে বিষণ্নতা কেটে যায়।