English Version
আপডেট : ১১ নভেম্বর, ২০১৭ ১৬:১৫

বড়দের যে বিষয় ছোটদের বিরক্তিকর!

অনলাইন ডেস্ক
বড়দের যে বিষয় ছোটদের বিরক্তিকর!

ছোট হলেও বড়দের একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, আর না হয় একাধিন জ্ঞান তাদের দিক থেকে ধেয়ে আসে। বয়সে ছোট হওয়ার সংস্কৃতি অনুযায়ী মুখের উপর বড়দের কিছু বলাও যাবে না। তাই অগত্যা অসম্ভব সহ্যশক্তি নিয়ে চলা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এখানে এমনই কিছু বড়দের জ্ঞান ও প্রশ্ন তুলে ধরব যা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ছোটদের বিরক্ত করে দেয়-

১। তুমি ছোট, তুমি বুঝবে নাঃ কথায় কথায় এই কথাটা এতই বিরক্তিকর কথা তো আছেই। আরে, ছোট বলে না বোঝার কি আছে। কেউ যদি ঠিক করে বোঝায় তাহলে নিশ্চই বুবঝ। কঠিন কঠিন অঙ্কের সমাধান করলাম আর কিনা একটা সামান্য জিনিস বুঝব না? আর যদি আমি নাই বুঝব তাহলে সেই বিষয় নিয়ে আমার সামনে আলোচনার কি প্রয়োজন?

২। ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবছঃ  সেই মাধ্যমিক স্কুল থেকে শুরু হয়। এর পর কী ভাবছ, কোন বিষয় নিয়ে পড়বে? উচ্চমাধ্যমিকের পর- কী ভাবছ, কোন কলেজে পড়বে? কলেজ পাশ করে যাওয়ার পর, ফিউচার প্ল্যান কি? আরে এত কথা না বলে আমার উপর ছেড়ে দিন না, আমার বিষয়টা আমি সামলে নেব। এমনিতেও আমার ফিউচার প্ল্যান জেনে আপনার তো কোনও লাভ নেই।

৩। তোর দোষ না, তোদের জেনারেশনটাই এমনঃ  বড় বলে ভুল জেনে বসে থাকলেও আমরা ছোট বলে ঠিক জেনেও সেটা শুধরে দিতে পারব না। ভুলটা শুধরে দিতে গেলেই তখন আবার আমরা ছোটরা বেশি বুঝি। আমরা বেশি বুঝে থাকলেও বড়রাও তো কম এঁড়ে একগুঁয়ে নয়। নিজেদের ভুলটা কখনও মানতেই চান না।

৪। আমি যখন তোমার বয়সী ছিলামঃ  এই কথাটা শুনলেই সবথেকে বেশি বিরক্তিটা লাগে। জানি জানি, আমার বয়সে আপনার জীবন অনেক কঠিন ছিল, তোমরা যা হাতে পাচ্ছ তার মূল্য দিচ্ছ না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা পাঁচ টাকা দিয়ে গোটা দিন চালিয়ে দিতাম আর এখন তোমাদের তো একদিনে এক হাজার টাকাও কম পরে যায়। আরে তখন বাস ভাড়া দশ পয়সা ছিল, এখন সেটা দশ টাকা, আগে ফুচকা দশ পয়সায় পাওয়া যেত, কিন্তু এখন সেই যুগের ছোঁয়া কোথায় পাব।

৫। প্রেম করার বয়স হয়নি এখনো তোমারঃ গুনী ব্যক্তিরা বলে গিয়েছেন প্রেমের কোনও বয়স হয় না, কিন্তু আমাদের বড়দেরকে বোঝাবে কে? প্রেম ভালবাসার কথা শুনলে সবার প্রথমেই তো বয়সটাকেই টেনে আনে। আর এই কথাটাই সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর।

৬। টাকা জমাচ্ছ তো, নাকি সবই উড়িয়ে দিচ্ছঃ  উফ এটা জাস্ট নেওয়া যায় না। সবে তো চাকরি জীবনের শুরু, আগে কিছুদিন তো আনন্দ, ফুর্তি করব, তারপর না হয় টাকা জমিয়ে রাখার কথা ভাবব। আর আমি টাকা জমালেও তো আপনাকে দিতে যাব না। তাই এই ব্যপারে আপনার না জানাটাই ভাল। সময় হলে ঠিক টাকা জমানো শুরু করব। টাকা আবার ওড়ানো কি? টাকা প্রয়োজনে আর শখে করচ করে মানুষ। সূত্র- বোল্ডস্কাই।