মাথা উঁচু করে বাঁচাবে আত্মবিশ্বাস
আত্মবিশ্বাস হল সেই গুণ, যা মাথা উচু করে বাঁচতে শেখায়। যা আমার যোগ্যতা ধরিয়ে দেয়। বাকস্বাধীনতাসহ মতামত প্রকাশ করতে শেখায়। এবং নিজের হীনমন্যতাকে ঝেড়ে ফেলার শক্তিও যোগায়। আত্মবিশ্বাস সকলেরই কাম্য। কিন্তু কীভাবে অর্জন করা যায় তা?
মনস্তাত্ত্বিকরা দিচ্ছেন বেশ কয়েকটি টিপস—
মাথা উঁচু করে বাঁচুন- সমাজে মেলামেশা হোক, কিংবা কাজের জায়গা, প্রথমেই ঠিক করে নিন, অকারণে কারোর কাছে মাথা নত করবেন না। আপনার আত্মসম্মান আপনার কাছে সবচেয়ে দামি। আত্মসম্মান বজায় রাখতে যা করা প্রয়োজন, করবেন।
প্রাণ খুলে হাসুন- হাসি মানে তো আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। নিজের আনন্দকে প্রকাশ করতে কুণ্ঠা বোধ করবেন কেন? কাজেই আনন্দিত বোধ করলে, হাসতে ইচ্ছে হলে, প্রাণ খুলে হাসুন।
মন খুলে প্রশংসা করুন- কারোর কোনও কাজ ভাল লাগলে প্রশংসা করতে দ্বিধা বোধ করবেন না। এবং প্রশংসা করবেন কোনও প্রতিদানের আশা না করেই। অন্য কারোর কোনও কাজ ভাল লাগলে আপনি প্রশংসা করবেন আপনার মনের আনন্দে। তার মানে সবসময় এই নয় যে, সে-ও ফিরে আপনার কাজের প্রশংসা করবে। সেই আশা না রাখাই ভাল।
সময়মতো প্রশংসা করুন নিজেরও- যখন মনে হবে আপনি নিজে কোনও কাজ ভালভাবে করেছেন, তখন মনে মনে প্রশংসা করুন নিজেকেও। আনন্দ করুন, খুশি হন নিজের সাফল্যের জন্য।
ইতিবাচক মনোভাবের সঙ্গীদের সঙ্গে মিশুন- যারা সর্বদাই হতাশায় ভোগেন, কিংবা বড় করে দেখেন জীবনের অপ্রাপ্তির দিকটা, অশান্তির দিকটা— এড়িয়ে চলুন তাদের। কারণ তাদের সঙ্গ আপনার মনের উপরেও একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বরং মিশুন আশাবাদী, হাসিখুশি মানুষদের সঙ্গে।
নিজের মতামত নির্দ্বিধায় প্রকাশ করুন- নিজের মতামত প্রকাশ করুন নির্দ্বিধায়, অকুণ্ঠভাবে। অন্যরা কী ভাববে সে নিয়ে অযথা মাথা ঘামাবেন না। যা কিছু নিজের, তাকে সম্নান করতে শিখুন। মতামত আপনার নিজস্ব, কাজেই সম্মান করুন তাকেও। তার জন্য লজ্জিত হবেন না।
নিজের দিকে নজর দিন- এর অর্থ এই নয় যে, আপনাকে স্বার্থপর বা আত্মকেন্দ্রিক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বরং বলা হচ্ছে যে, অন্যের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেবেন না। নিজের মেজাজে চলুন, যা প্রাণ চায় করুন, অবশ্যই অন্য কারোর ক্ষতি না করে।


