মাতৃগর্ভেই গান শুনবে অনাগত শিশু!
সঙ্গীত পছন্দ করেনা এমন মানুষ বিরল। সঙ্গীত মনকে ভাল করে দেয়, সুন্দর চিন্তা করতে উৎসাহিত করে এমনকি মনোবল বাড়ায়। সঙ্গীতের আরও একটি গুনের কথা আবিস্কার করেছ আধুনিক বিজ্ঞান। গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভাবস্থায় বাচ্চাদের মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে সঙ্গীত। একে “মিউজিক থেরাপি” বলেন অনেকে। শিশুর বয়স যখন ১৬ সপ্তাহে পৌছায় তখন তার শ্রবণেন্দ্রীয় পুরোপুরিভাবে বিকাশ লাভ করে। ফলে আপনি কি বলছেন, কি শুনছেন, কোন পরিবেশে বাস করছেন তা বাচ্চার কানে পৌছে যায়। গবেষকদের মতে, কোন শিশুকে যদি মাতৃগর্ভেই সঙ্গীত শোনানো যায় তাদের মস্তিষ্কে বিকাশ অন্য শিশুদের তুলনায় বেশী হয়। তাও যে সে সঙ্গীত নয়। গবেষকরা এক্ষেত্রে শাস্ত্রীয় রাগসঙ্গীত শোনানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
কিন্তু সেটা কি উপায়ে সম্ভব? বিজ্ঞানীরা উপায়ও বের করেছেন। গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ একধরণের শ্রবণযন্ত্র তৈরি করেছেন বার্সেলোনার মার্কেজ-এর গবেষকদল। যন্ত্রটির নাম দেয়া হয়েছে ‘বেবিপড’। এই ‘বেবিপড’ দ্বারাই মা তার অনাগত সন্তানকে পছন্দসই সঙ্গীত, কবিতা কিংবা নিজের গলার স্বর রেকর্ড করে অনায়াসে শোনাতে পারবেন। এই বিশেষ ধরণের হেডফোন স্মার্টফোনের সাথে সংযুক্ত করে গর্ভবতী মহিলারা তাদের যৌনাঙ্গে প্রবেশ করিয়ে অনাগত সন্তানকে গান শোনাতে পারবেন। প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ‘মিউজিক্যাল ট্যাম্পন’। ‘বেবিপড’ এর সাথে একটি ইয়ারফোন যুক্ত করার ব্যবস্থাও আছে যার দ্বারা মা ও সন্তান একই সাথে শুনতে পারবেন। এতে মা ও শিশুর কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করেছেন গবেষকরা।


