আবার প্রেসিডেন্ট হতে চান ট্রাম্প, করছেন নিয়মিত জনসমাবেশ
আবার নিয়মিত জনসমাবেশ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই আগের মতোই করছেন হিলারি ক্লিনটনের সমালোচনা। মার্কিন জনগণকে নানান আশ্বাসও দিচ্ছেন আগের মতো।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ডে আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়ার উজ্বল সম্ভাবনা দেখছেন অনেকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এসবই ট্রাম্পের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মাঠ গোছানোর চেষ্টা। সেই চেষ্টায় তার সাফল্য, এমনকি নির্বাচনে অংশ নিলে তার আবার প্রেসিডেন্ট হবার সম্ভাবনাও দেখছেন অনেকে।
২০২০ সালের নির্বাচনের পর যেমনটি বলেছিলেন, সম্প্রতি টেক্সাসের এক জনসভায় সেই নির্বাচন নিয়ে একই কথা বলেছেন ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, ভোটারদের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করে জেতানো হয়েছে জো বাইডেনকে। ২০২০ সালের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছিল এবং সেকথা সবাই জানে৷
তবে চারটি রাজ্যের ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়ে যে মামলা করা হয়েছিল তা খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সাম্প্রতিক সভাগুলোতে ট্রাম্প আদালতের সেই সিদ্ধান্তের দৃশ্যত কোনও গুরুত্বই দিচ্ছেন না। বরং কঠোর সমালোচনা করছেন প্রতিপক্ষের, দিচ্ছেন আবার ক্ষমতায় এলে দারুণ কিছু করে দেখানোর আশ্বাস।
রাজনৈতিক সংবাদের ওয়েবসাইট দ্য হিলের ক্যাম্পেইন এডিটর ব্র্যান্ডন কনরাডিস অবশ্য ট্রাম্পের এমন কর্মকাণ্ডে মোটেই বিস্মিত নন। তার মতে, তিনি (ট্রাম্প) সবসময় যা করে এসেছেন এখনো তাই করছেন- সমর্থকগোষ্ঠীকে চাঙা করতে চাইছেন আর ‘লাল মাংস’ ছুঁড়ে দিচ্ছেন তাদের দিকে৷
ব্র্যান্ডন কনরাডিসের ভাষায় ‘লাল মাংস ছুঁড়ে দেয়া’, অর্থাৎ সমর্থকদের সবচেয়ে বড় আশ্বাসটি ট্রাম্প দিয়েছেন, ক্যাপিটল হিলে হামলাকারীদের বিষয়ে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ঘটে যাওয়া ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বরের সেই ঘটনায় পাঁচজন মারা যান। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৭০০ জনেরর বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গত সপ্তাহে কনরোতে অনুষ্ঠিত এক সভায় ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি যদি আবার (নির্বাচনে) অংশ নিই ও জিতি, তাহলে ৬ জানুয়ারির ঘটনার সব ব্যক্তির সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করবো। এমনকি যদি ক্ষমা করার প্রয়োজন হয়, তা-ও করবো আমরা। কারণ তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা ভারি অন্যায়।’ সূত্র : ডয়চে ভেলে


