লিবিয়ার থেকে উপকূলে ছয়শো অভিবাসী উদ্ধার
লিবিয়ান কোস্টগার্ড জানাচ্ছে তারা পশ্চিম উপকূল থেকে ছয়শো অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে। ইউরোপের দিকে যাত্রা করা চারটি নৌকা থেকে ওই অভিবাসীদের উদ্ধার করে লিবিয়ার কোস্টগার্ড, এর মধ্যে একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে গিয়েছিল। কোস্টগার্ড জানাচ্ছে যে তারা চারজন নারীর মরদেহ সাগরে খুঁজে পেয়েছে।কিন্তু ওই নৌকায় থাকা আরও ২০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
উদ্ধারকারীরা বলছে যেসব অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয়েছে তাদের অনেকের মধ্যেই সাগরে ডুবে যাওয়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ইতালির কোস্টগার্ড জানাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন অভিযানে সিসিলি প্রণালী থেকে নয়শোরও বেশি শরণার্থীকে উদ্ধার করেছে তারা।
এদিকে অভিবাসী ও শরণার্থীদের ফেরত পাঠাতে তুরস্ক আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে, ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেও সেটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
যদিও কর্মকর্তারা বলছেন কিছু জটিলতা থাকায় এ চুক্তি বাস্তবায়নে আরও দু’সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে এই চুক্তির প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছে। লন্ডন, এথেন্স, বার্সেলোনা, ভিয়েনায় শরণার্থীদের সমর্থনে মিছিল হয়েছে।
ওই চুক্তি অনুযায়ী, শরণার্থী ও অভিবাসী যারা তুরস্ক হয়ে গ্রীসে প্রবেশ করছেন তাদের মধ্যে যাদের আবেদন গ্রহণ করা হবে না, তাদের গ্রীস থেকেই পুনরায় তুরস্কেই পাঠিয়ে দেয়া হবে।
চুক্তিটি বাস্তবায়নে গ্রিস কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দিতে নিরাপত্তা, অভিবাসন কর্মকর্তা ও অনুবাদকসহ প্রায় ২ হাজার তিনশো জনের একটি ইইউ বিশেষজ্ঞ দলের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
কিন্তু শনিবার পর্যন্ত কোনো বিশেষজ্ঞই সেখানে পৌঁছাননি বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
যদিও রবিবার থেকে চুক্তিটি কার্যকর হবার কথা, কিন্তু গ্রীসের কর্মকর্তারা বলছেন, কিভাবে সেটির বাস্তবায়ন করা হবে,সে বিষয়ে তারা এখনো পরিস্কার নন।
তবে এতসব কিছুর মধ্যেও তুরস্ক হয়ে গ্রীসের লেসবসে প্রবেশে অভিবাসী ও শরণার্থীদের চাপ বজায় রয়েছে।সূত্রঃবিবিসি।


