জাকার্তায় জঙ্গি হামলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বৃহস্পতিবার সকালে দু’টি বিলাসবহুল হোটেলের সামনে জঙ্গী হামলায় এখন পর্যন্ত নয়জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার সকালে জাকার্তায় রিৎজ-কার্লটন এবং ম্যারিয়ট হোটেল দুটির সামনে পরপর বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বিস্ফোরণে মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তাঁরা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা হতে পারেন বলে পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সারিনা মলের ভিতরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। মনে করা হচ্ছে, অন্তত ৬ জঙ্গি সেখানে ঢুকে পড়েছে। পুলিশের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই চলছে।
বিস্ফোরণে হোটেলগুলির জানালা এবং দরজার কাচ ভেঙে যায়। আহতদের যে প্রাথমিক তালিকায় কমপক্ষে ১১জন বিদেশী রয়েছেন। ‘জেমা ইসলামিয়া’ নামক একটি জঙ্গি সংগঠন এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। আল কায়দার ছায়া সংগঠন হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এই জঙ্গি সংগঠনটি সক্রিয়। শুধু ইন্দোনেশিয়াই নয়, আশপাশের দেশেও এই সংগঠনটি জাল বিস্তার করেছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে বিস্ফোরণের তীব্রতা অত্যন্ত বেশি ছিল। বিস্ফোরণে রিৎজ-কার্লটন হোটেলের বেশ কয়েকটি কাচ ভেঙে যায়। মানুষজন আতঙ্কে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। ঘটনাচক্রে, আগামী শনিবার ম্যাঞ্চেসটার ইউনাইটেড টিমের এই হোটেলে ওঠার কথা ছিল। আগামী সপ্তাহে এখানে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার কথা ছিল ফান হালের দলের। এই বিস্ফোরণের পরে ম্যান ইউ কর্তৃপক্ষের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টিম আপাতত জাকার্তার উদ্দেশে রওনা হচ্ছে না। রুনিরা এখন মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। সেখান থেকেই তাঁরা সরাসরি সোলে চলে যেতে পারেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের তরফে সে দেশের পর্যটকদের ইন্দোনেশিয়া যেতে নিষেধ করা হয়েছে। জাকার্তা এবং বালির মতো ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে অস্ট্রেলীয়দের। ২০০৩ সালেও ম্যারিয়ট হোটেলে বিস্ফোরণ হয়েছিল।


