আই কিউ পরীক্ষায় তাক লাগানো কাশমিয়া
বিশ্বখ্যাত মেনসা সংস্থার আই কিউ পরীক্ষায় সেরার শিরোপা পেল ভারতীয় বংশদ্ভুত ইংল্যান্ড প্রবাসী ১১ বছরের কাশমিয়া ওয়াহি। পূর্ণমান ১৬২–র মধ্যে ১৬২–ই পেয়েছে সে। তার বুদ্ধির তুলনা করা হচ্ছে আইনস্টাইন, স্টিভেন হকিংয়ের সঙ্গে। কাশমিয়া নিজেও আপ্লুত পরীক্ষার ফলাফলে। বলেছে, হকিং বা আইনস্টাইনের সঙ্গে তুলনায় আমি অভিভূত। তবে এটা অসম্ভব তুলনা। এদের সারিতে পৌঁছোতে গেলে অনেক অনেক কিছু করতে হবে।
কাশমিয়ার বাবা–মা উল্লসিত সন্তানের এই সাফল্যে। বলছেন, তাদের মেয়ে যে বুদ্ধি ও মেধায় শক্তিশালী একথা জানতেন তারা। এই মেধাকে যদি সঠিক পথে চালনা করা যায়, তাহলে সে সাফল্য পাবেই, এ ব্যপারেও নিশ্চিত তারা।কাশমিয়ার জন্ম মুম্বইয়ে। বাবা বিকাশ ওয়াহি এবং মা পূজা ওয়াহি পেশায় আই টি ম্যানেজমেন্ট কনসাল্ট্যান্ট, লন্ডনে ডয়েশ ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত।
নটিং হিল অ্যান্ড ইয়েলিং জুনিয়ার স্কুলের ছাত্র কাশমিয়া ছোটবেলা থেকেই তার মেধার পরিচয় রেখেছে। গত বছর অক্সফোর্ডের ‘ম্যাথস চ্যালেঞ্জে’ সে তৃতীয় স্থান পাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় স্তরের দাবা প্রতিযোগিতায় একাধিক বার পুরস্কৃত হয়েছে। মেনসা–কে বলা হয় পৃথিবীর সব থেকে পুরনো এবং সব থেকে বড় আই কিউ সংস্থা। আই কিউ–র পরীক্ষায় নির্ণীত দেশের সেরা ২ শতাংশ মানুষকে সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মেনসা।
কাশমিয়ার মেধা আরও দুর্লভ, যা দেশের এক শতাংশ মানুষের মধ্যে থাকতে পারে। ১৮ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তারা এই পরীক্ষায় করা মোট ১৫০ টি সর্বোচ্চ ১৬২ নম্বর পেতে পারে। ১৮–ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা পেতে পারেন ১৬১। বলা হয়ে থাকে আইনস্টাইন এবং হকিং দু‘জনেরই বুদ্ধ্যঙ্ক বা আই কিউ ১৬০। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, কাশমিয়া সবচেয়ে কম বয়সের পরীক্ষার্থী হিসেবে এই পরীক্ষায় এত নম্বর পেয়েছে।


