English Version
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০২:২৩

‘খিদে পেলে খাবো’ অভ্যাসের নাম ‌ফুড ডিসঅর্ডার

অনলাইন ডেস্ক
‘খিদে পেলে খাবো’ অভ্যাসের নাম ‌ফুড ডিসঅর্ডার

সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে বেহিসেবি খাওয়ার থেকে না খাওয়াই  ভাল। অনেকেই আছেন, ‘‌খিদে পেলে খাবো’‌ এই সূত্রে বিশ্বাস করেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস খুব একটা স্বাস্থ্যকর নয়। পরবর্তী জীবনে এর ফলে আপনার বড় কোনও শারীরিক ক্ষতি হতেই পারে। চিকিৎসকরা এই অভ্যাসের নাম দিয়েছেন ‘‌ফুড ডিসঅর্ডার’। কিন্তু ঠিক কী কী কারণে ফুড ডিসওর্ডার হয়, একবার দেখে নিন সেই তালিকা।

বংশানুক্রমিক:‌ অনেক পরিবারেই দেখা যায়, বেশ কয়েক প্রজন্ম ধরেই খাওয়ার সময় নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম নেই। সেই পরিবারে যাঁরা বড় হন, তাঁদের ফুড ডিসঅর্ডার থাকাটা স্বাভাবিক। তাই চিকিৎসকরা বলছেন, এই অভ্যাস ছেড়ে বেরিয়ে না আসলে ভুগতে হবে পরবর্তী কালে। 

যৌন নিগ্রহ:‌ এটাও সত্যি, মানসিক অবস্থার উপর খাওয়া দাওয়া অনেকটাই নির্ভর করে। ছোটবেলায় যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন, এমন লোকেদের খাওয়া দাওয়ার ওপর একটা প্রভাব পড়ে। সারাজীবনই এই প্রভাব থেকে যায়। 

বেশি রোগা হওয়া:‌ শরীরের আকার অনেক সময়েই খাবার দাবারের পরিমান নির্ধারণ করার বিষয়ে প্রভাব ফেলে। যাঁরা অনেকটাই রোগা, তাঁরা ওজন বাড়ানোর জন্য এক একাধিক বার বেশি বেশি করে খেতে শুরু করেন হঠাৎ। কিন্তু এই অভ্যাস হঠাৎ করে শুরু করলে শরীরে উল্টো প্রভাব পড়ে। মোটা হওয়ার জন্য এলোমেলো খাবার খাওয়াটাও কাজের কথা নয়। ‌

ডায়েটিংয়ের অভ্যাস:‌ আপনি হয়তো রোগা হওয়ার জন্য আগে ডায়েটিং করেছেন। ওজন ঝরে গেছে, কিন্তু সেই অভ্যাস পাল্টাতে পারেন নি। তাই নানা সময় খাওয়া দাওয়ার নানা রকম গোলমাল বাঁধছে। আগের অভ্যাস রেখে দিলে কিন্তু সমস্যায় পড়তে হবে আপনাকেই। ওজন ঝরে গেলে ফের স্বাভাবিক খাবারে ফিরে আসুন, আর ব্যয়াম করুন, তাতে শরীর ঠিক থাকবে।

অবসাদ:‌ অনেক সময়েই অবসাদ আপনার খাবারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। মানে, ধরুন এক ধরণের কাজ করতে আপনি ক্লান্ত। বা, পারিবারিক অশান্তি আপনার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সেই জন্য অনেক সময়ে খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস বদলে যায়। সময় মত খাবার খাওয়া হয় না, আরও সমস্যা বাড়ে। ‌