English Version
আপডেট : ৮ জানুয়ারি, ২০১৬ ১৭:০৪

অপরিমিত এ্যালকোহলে ক্যন্সারের ঝুঁকি বাড়ে

অনলাইন ডেস্ক
অপরিমিত এ্যালকোহলে ক্যন্সারের ঝুঁকি বাড়ে

মদ্যপায়ীদের জন্য দু:সংবাদ! আজই নিজেকে বদলে নিন। নাহলে জেনে রাখুন দিনে এক গ্লাসের বেশী ওয়াইন কিংবা বিয়ারজাতীয় পানীয় পান করছেন মানে আপনি দ্রুতই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। কারণ এ্যালকোহল গ্রহণে ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। শুক্রবার যুক্তরাজ্যের প্রধান মেডিক্যাল কর্মকর্তা এ্যালকোহল গ্রহণ সম্পর্কে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছেন। যদিও চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করে বলেছেন যে যারা মদ্যপান করেন না তারা ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে অনেকটা মুক্ত, এবং যারা পরিমিত এ্যালকোহল গ্রহণ করেন তারাও অধিক মদ্যপায়ীদের চাইতে নিরাপদে আছেন। যারা মদ ছাড়তেই পারবেন না, কিংবা মদ্যপান যাদের জীবন-মরণ তাদের জন্য পরামর্শ হল সপ্তাহে সর্বোচ্চ ছয় থেকে সাত পেগ এর বেশী এ্যালকোহল গ্রহণ করা যাবে না।

ইংল্যান্ডের প্রধান মেডিক্যাল অফিসার  ডেম স্যালি ডেভিস বলেছেন, “যেকোন পরিমাণের এ্যালকোহল নিয়মিত পান করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। তবে সেটা যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে মানে সপ্তাহে ছয়-সাত পেগের বেশী না হয় তবে ঝুঁকি কিছুটা কম থাকে।”

তিনি আরও বলেছেন, গর্ভবতী মায়েদের যেকোন ধরণের এবং যেকোন পরিমাপের এ্যালকোহল সেবন করা উচিৎ নয়। এতে মা এবং অনাগত সন্তানের বড়ধরনের ক্ষতি হতে পারে। গর্ভবতী মায়েদের এ্যালকোহল গ্রহণ না করাই ভাল। তবে ঐ যে, যদি এ্যালকোহল জীবন, এ্যালকোহল মরণ হয় তবে সপ্তাহে এক থেকে সর্বোচ্চ দুইবার এক থেকে দুই পেগ এর বেশী সেবন করা যাবে না। দিনের বেলার চাইতে সন্ধ্যায় এ্যালকোহল গ্রহণ করা ভাল। সিওসি রিপোর্টে জানা যায় পরিমিত পরিমানে ওয়াইন পান করলে পঞ্চান্ন বছরের বেশী বয়সের মহিলাদের হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস পায়-এটা তখনই যখন সপ্তাহে এক-দুই গ্লাস ওয়াইন গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এখনও এই ধারণা পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।

তবে লন্ডনের স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর প্রফেসর মার্ক পেট্রক্রিউ স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমরা আমাদের গবেষণায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে মদ্যপানের প্রতিক্রিয়া ভালভাবে পরীক্ষণ এবং পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি যে এটা স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর। তবে কেউ ছাড়তে না চাইলে পরিমিত পান করবেন, তাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে।”

অনুবাদ: সত্যজিৎ কাঞ্জিলাল