১৭ মাস পরে দলে ফিরেই সেঞ্চুরি করলেন মাহমুদউল্লাহ
বাংলাদেশের জার্সি গায়ে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ১৭ মাস আগে। গুঞ্জন উঠেছিল দেশের হয়ে সাদা জার্সিতে হয়তো আর দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সেই মাহমুদউল্লাহকেই হুট করে নেওয়া হল জিম্বাবুয়ের মাটিয়ে টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডে। শুধু স্কোয়াডে নয় প্রথম ম্যাচের একাদশেও জায়গা করে নিলেন। আর একাদশে সুযোগ মিলতেই উপহার দিলেন দূর্দান্ত এক সেঞ্চুরির।
হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৬ষ্ঠ উইকেটের পতনের পর ব্যাটিংয়ে নেমেও সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি। ৯ম উইকেটে তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে শত রানের জুটি গড়ে নিজের সেঞ্চুরির মাইলফলকও পূর্ণ করেন এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। মাহমুদউল্লহার এই সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে হাটছে বাংলাদেশ।
এর আগে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সফররত বাংলাদেশ দলের। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই জিম্বাবুইয়ান পেসার মুজারাবানির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। আউট হওয়ার পূর্বে ব্যক্তিগত রানের খাতার কিছুই যোগ করতে পারেননি তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসা নাজমুল হাসান শান্তকেও সুবিধা করতে দেননি মুজারাবানি। তার বলে স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন শান্ত। সাজঘরে ফেরান আগে তিনি করেন মাত্র ২ রান। তৃতীয় উইকেটে জুটিতে চাপ সামলে দলের হাল ধরেন যাচ্ছেন সাদমান-মুমিনুল। এ সময় দুজন মিলে তুলেন ৬০ রান। ৬৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন সাদমান। পরের উইকেটে মুশফিকুর রহিম নিয়ে আরো প্রতিরোধের চেষ্টা করেন মুমিনুল। কিন্তু অধৈর্য্য হয়ে মুশফিক ফিরেছেন ব্যক্তিগত ১১ রান। আর টেস্টে ফিরে ব্যাট হাতে কিছুই করতে পারেননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আউট হওয়ার আগে ৫ বলে করেছেন মাত্র ৩ রান।
এদিকে আপনতালে খেলতে থাকা দলীয় অধিনায়ক মুমিনুল হক ক্যারিয়ারের আরো একটি ফিফটি তুলে নেন। এরপর দেখে-শুনেই খেলছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭০ রানে মেয়ার্সের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন মুমিনুল। ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর কিছুটা ভীতি সঞ্চার হয়েছিলো টাইগার শিবির। এমন সময় দলের হয়ে ক্রিজে খুঁটি গাড়েন লিটন-মাহমুদউল্লাহ। সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে গড়েন ১৩৮ রানের জুটি। হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হাঁটছিলেন সেঞ্চুরির পথেই। কিন্তু ৯৫ রানে ডোনাল্ড তিরিপানোর বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। পরেই বলেই আউট হয়েছে বোলিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ।


