English Version
আপডেট : ৩ নভেম্বর, ২০১৮ ১১:০২

‘বাংলাদেশে এসে প্রমাণ দিন’ প্রিয়তিকে রফিকুল

অনলাইন ডেস্ক
‘বাংলাদেশে এসে প্রমাণ দিন’ প্রিয়তিকে রফিকুল

সম্প্রতি মডেল মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলার পর তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠার মধ্যে এই অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

হলিউড, বলিউডের যৌন নিপীড়নের ঘটনাগুলো সম্প্রতি প্রকাশের মধ্যে তার আদলে মি টু (Me Too) হ্যাশট্যাগ দিয়ে গত ৩০ অক্টোবর ফেইসবুক লাইভে এসে রফিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ তোলেন প্রিয়তি।

প্রিয়তির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে এসে বলেন, প্রমাণাদি দেন। তিনি যে অভিযোগ এনেছেন সেটা সম্পূর্ণ বানোয়াট। সে ২০১৫ সালের ঘটনা এখন বললো কেন? ঐ সময়ই জানালেন না কেন? সামনে নির্বাচন। আমি নির্বাচন করব, এ কারণে প্রতিপক্ষ গ্রুপের কাছ থেকে টাকা খেয়ে এই ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার করছে।’

২০১৪ সালে আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মিজ আয়ারল্যান্ড প্রতিযোগিতায় সেরার মুকুটজয়ী প্রিয়তি স্বদেশে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নেন। প্রিয়তির অভিযোগ, ২০১৫ সালে রংধনু গ্রুপের একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনচিত্রে শুটিং করতে এসে রংধনু গ্রুপের কার্যালয়ে গেলে তাকে সেখানে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ করেন রফিকুল। প্রিয়তি লাইভে বলেছেন, ‘সবাই বলবে এত দিন পরে কেন? মি টু মুভমেন্টের আগেও আমি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের বিষয়ে কথা বলেছি। কিন্তু আমি কারও নাম নিতে পারিনি। এটা নিয়ে কথা বলতে পারি নাই। সাহস হচ্ছিল না। আজকে এত দিন পর কিভাবে সাহস হয়েছে, আমি নিজেও জানি না।’

রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনেও ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।