English Version
আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৭:৩০

জাজের নায়িকাদের নিয়ে বোমা ফাটালেন পরীমনি

অনলাইন ডেস্ক
জাজের নায়িকাদের নিয়ে বোমা ফাটালেন পরীমনি

ঈদে কোনো ছবি মুক্তি না পেলেও ছোট পর্দায় কয়েকটি অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে হাজির হন এ সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। অভিনয়শিল্পী ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের অনুষ্ঠান ‘সেন্স অব হিউমার’-এ অতিথি হয়ে এসে রীতিমতো বোমা ফাটালেন। উপস্থাপকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে কাজ করা নায়িকাদের ‘চাকরিজীবী নায়িকা’ বলে মন্তব্য করেন।

পাঁচ বছর আগে ছবি প্রযোজনায় আসে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম ছবি ‘ভালোবাসার রং’ দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক হয় মাহিয়া মাহী ও বাপ্পীর। এই জুটি একসঙ্গে আরও কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করে। এরপর এই প্রতিষ্ঠানের ছবিতে অভিনয় করে আলোচিত হন নুসরাত ফারিয়া, শিপন মিত্র, জলি এবং সর্বশেষ পূজা চেরি ও সিয়াম। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন, তাঁদের ‘চাকরিজীবী নায়ক-নায়িকা’ই মনে করেন পরীমনি।

পরীমনি বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা সবাই অবশ্যই চাকরিজীবী নায়ক-নায়িকা। কারণ একজন নায়ক-নায়িকা তাঁর নিজস্ব পছন্দ এবং গতিধারায় থাকবেন। কোন ছবি করবেন, কোনটি করবেন না, তা একটা প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে কেন করতে হবে! শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা জাজ মাল্টিমিডিয়ার চাকরিজীবী নায়ক-নায়িকাদের নেই।’

পরীমনি আরও বলেন, ‘আমি জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে কাজ করছি, দেখা গেল এমন সময় সেলিম ভাই (গিয়াসউদ্দীন সেলিম) একটা ছবি নিয়ে কথা বলতে চাইলেন। কিন্তু আমি অনুমতি ছাড়া ওই ছবির ব্যাপারে কোনো কথা বলতে পারব না। এমনটা হয়েছে বলেই বলছি।’

‘ভালোবাসা সীমাহীন’ ছবি দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক হয় পরীমনির। এরপর জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘রক্ত’ ছবিতে কাজ করেন। এই ছবির জন্য দুই বছর অন্য কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ছবিতে কাজ করতে পারেননি। পরীমনি বলেন, ‘জাজে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা চাকরিজীবী নায়ক-নায়িকা। আমি দুই বছর এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছি। আমার স্বাধীনতা বলতে কিছুই ছিল না। আমি যখন কাজ করেছি, তখন নিজেকে চাকরিজীবী নায়িকা মনে করেছি। প্রতি মুহূর্তে আমি তা অনুভব করেছি। সবকিছু এই প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে করতে হয়। এটা আমার জন্য খুব কষ্টের অভিজ্ঞতা। কারণ, আমি খুব স্বাধীনচেতা একজন মানুষ। ধরেবেঁধে কোনো কাজ আমাকে দিয়ে করানো সম্ভব না। বাধ্য হয়ে কোনো কাজ করতে আমি কখনোই রাজি না।’