প্রযোজনা সংস্থার মালিক যেসব বলি তারকা
বিশ্বের অন্যতম সেরা ও বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলিউড। এখানে রয়েছে অসংখ্য নামিদামি অভিনয়শিল্পী। তাদের মধ্যে এমন কেউ কেউ আছেন যারা শুধু দেশে নয়, বিশ্ব দরবারেও দারুণ জনপ্রিয়। এমনকী, তারা শুধু অভিনয় নয়, ছবি প্রযোজনার কাজেও সমান পটু। অনেকের তো আবার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউসও রয়েছে।আসুন তবে জেনে নেই সেই তারকাদের নাম ও তাদের প্রোডাকশন হাউসের খুঁটিনাটি।
অমিতাভ বচ্চন: ছবি পরিচালনার কাজে বারে বারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে অমিতাভ বচ্চনের প্রোডাকশন হাউস ‘অমিতাভ বচ্চন করপোরেশন লিমিটেড’(এবিসিএল)। ছবি প্রোডাকশনের পাশাপাশি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজও করে এবিসিএল। মোট ১০টি বলিউড ছবি মুক্তি পেয়েছে এবিসিএল থেকে। কিন্তু কোনোটাই বক্স-অফিসে তেমন চলেনি।
শাহরুখ খান: ২০০৪ সালে ‘রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট’ স্থাপন করে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৪ সালে ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবিটি প্রযোজনা করেন, যেটি বলিউডে দারুণ ব্যবসা করে। ২০০৫ সালে তিনি কল্পকাহিনি নিয়ে ‘পহেলি’ ছবিটি নির্মাণ করেন যা অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য ভারত থেকে মনোনয়ন পায়, তবে পুরস্কার জিততে পারেনি। একই বছর তিনি ‘কাল’ নামে একটি ছবি সহ-প্রযোজনা করেন। রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট থেকে নির্মিত পরের ছবি ‘ওম শান্তি ওম’ ২০০৭ সালের সবচেয়ে সফল ছছবি। এই ছবিতে ৩০ জনের বেশি নামি অভিনয়শিল্পী একটি গানের দৃশ্যে অভিনয় করেন।
সালমান খান: সালমান খানের নিজস্ব প্রোডাকশন হাউসের নাম ‘সালমান খান ফিল্মস’(এসকেএফ)। এখান থেকে মোট চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু কোনোটাই বক্স-অফিসে তেমন সাফল্যের মুখ দেখেনি।
আমির খান: ১৯৯৯ সালে মুম্বাইতে ‘আমির খান প্রোডাকশন (একেপি)’ নামে নিজের প্রোডাকশন হাউস খোলেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। এখান থেকে তৈরি প্রথম বড় ছবি ‘লগান’। আমিরের স্ত্রী কিরণ রাও এই প্রোডাকশন হাউসে সহ-পরিচালকের পদে রয়েছেন। তার পরিচালনায় একেপি থেকে ২০০৭ সালে ‘তারে জমিন পর’এবং ২০০৮ সালে ‘জানে তু ইয়া জানে না’ বক্স-অফিসে দারুণ সাফল্য পায়।
অজয় দেবগন: অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে অজয়ের প্রথম প্রযোজনার জগতে পা রাখা ২০০০ সালে। ‘অজয় দেবগন ফিল্মস’(এডিএফ) নামে মুম্বাইতে নিজের প্রোডাকশন হাউসও খুলেছেন তিনি। এডিএফ থেকে অজয়ের প্রযোজনায় প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘রাজু চাচা’।
অক্ষয় কুমার: বি-টাউনের মাল্টি ট্যালেন্টেড অভিনেতা অক্ষয়ের প্রোডাকশন হাউসের নাম ‘হরি ওম প্রোডাকশনস’। ২০০৮ সালে মা অরুণা ভাটিয়া এবং স্ত্রী টুইঙ্কেল খান্নার উদ্যোগে এই প্রোডাকশন হাউসটি তৈরি করেন অক্ষয়। ‘সিং ইজ কিং’, ‘খাট্টা মিঠা’, ‘অ্যাকশন রিপ্লে’, ‘প্যাডম্যান’সহ অনেক হিট ছবিই মুক্তি পেয়েছে এই প্রোডাকশন হাউস থেকে।
সাইফ আলি খান: অভিনয়ের পাশাপাশি অনেক কাজেই দক্ষ বি-টাউনের ছোটে নবাব। ‘ইলুমিনাটি ফিল্মস’ নামে মুম্বাইতে তার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস রয়েছে। সাইফ আলি খান এবং পরিচালক দীনেশ ভিজানের যৌথ উদ্যোগে ২০০৯ সালে এই প্রোডাকশন হাউসটি তৈরি হয়। ‘ইলুমিনাটি ফিল্মস’ থেকে প্রথম মুক্তি পায় সাইফ অভিনীত বক্স-অফিস হিট ছবি ‘লাভ আজ কাল’।
জন আব্রাহাম: মুম্বাইতে জন আব্রাহামের প্রোডাকশন হাউসের নাম ‘জেএ এন্টারটেইনমেন্ট’। ২০০৮ সালে তৈরি হয়েছে ‘জেএ এন্টারটেইনমেন্ট’। ‘ভিকি ডোনর’ এবং ‘মাদ্রাজ কাফে’র মতো ছবি মুক্তি পেয়েছে এই প্রোডাকশন হাউস থেকে।


