English Version
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:২৯

পাল্টা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘নেশা’র দুই নির্মাতা

অনলাইন ডেস্ক
পাল্টা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘নেশা’র দুই নির্মাতা

নিজের কণ্ঠে গাওয়া ‘নেশা’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশের পরই আলোচনায় চলে আসেন লাক্স তারকা কুসুম শিকদার। নতুন সেই মিউজিক ভিডিওটিতে আবেদনময়ী ও খোলামেলা পোশাকে কুসুমের নতুন আবতার তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়। বিতর্কের মুখে পর্নোগ্রাফি মামলায় নিজের নাম লিখিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এবার সেই মামলার জবাবে মানহানী মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভিডিওটির দুই নির্মাতা শুভ্র খান ও শ্রাবণী ফেরদৌস।

জানা যায়, এই মিউজিক ভিডিওতে যৌন উত্তেজক দৃশ্য ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি গত ১৩ আগস্ট গানটির সব বৈধ-অবৈধ ভিডিও এবং টিজার ইউটিউব থেকে সরানোর জন্য আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব আইনি নোটিশ দেন। কিন্তু গানটি না সরানোয় গত ১৭ সেপ্টেম্বর পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর ৮ ধারায় কুসুমসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি খন্দকার নাজমুল আহসান। মামলাটির তদন্তভার বর্তমানে রমনা মডেল থানাকে দেয়া হয়েছে।

মামলায় অভিযাগে বলা হয়, ‘পরিচালকদ্বয় মিউজিক ভিডিও নির্মাণের নামে যৌনতা, অশ্লীলতা, উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অভিনয় ও আপত্তিকর পোশাক পরিচ্ছদ সংযোজন করেছেন, যা আমাদের সংস্কৃতির পরিপন্থি, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য হুমকি স্বরূপ।’

এদিকে এই মামলা নিয়ে এবার পাল্টা মামলার হুমকি দিলেন নির্মাতাদ্বয়। তারা জানান, তাদের নামে মামলা হলেও তারা এখনও কোনো আইনি নোটিশ হাতে পাননি। গণমাধ্যম থেকেই মামলার বিষয়টি তাদের নজরে আসে।

এ প্রসঙ্গে নির্মাতা শুভ্র খান বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি আর্ন্তজাতিক মান বজায় রেখে মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করতে। আমরা মেকআপ, পোশাক-পরিচ্ছদ, দৃশ্যায়ন সবকিছুই আন্তর্জাজাতিক মান মাথায় রেখেই করেছি। যেখানে আমরা আমাদের নির্মাণশৈলীর জন্য সকলের নিকট সাধুবাদ পেয়েছি সেখানে আইনজীবি সাহেব কীভাবে এখানে যৌনতা ও অশ্লীলতা খুঁজে পেল তা আমাদের বোধগম্য নয়।’

অন্যদিকে আরেক নির্মাতা শ্রাবণী ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা মনে করি, উনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে যে সংবাদটি প্রচার হয়েছে তাতে আমাদের ২৫ বছরের ক্যারিয়ারের ভাবমূর্তির যে ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা অপূরনীয় এবং আমাদের কর্মক্ষেত্রে আমরা বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। তাই আইনি নোটিশ হাতে পেলেই আমরা তার বিরুদ্ধে আর্থিক ক্ষতি পূরণ দাবী করে মানহানি মামলা করার পদক্ষেপ নিবো।’