English Version
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১১:৫৩

মাহিকে নিয়ে সালিস!

অনলাইন ডেস্ক
মাহিকে নিয়ে সালিস!

য়াজেদ আলী সুমনের ‘মনে রেখো’তে পশ্চিমবঙ্গের বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন মাহিয়া মাহি। টানা ৩০ দিন শুটিং হওয়ার পর ঘটে বিপত্তি।

ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশে এসে ভারতীয় শিল্পীদের কাজ করার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন। আন্দোলনের মুখে গাজীপুরে ‘মনে রেখো’র সেটে হাজির হয় পুলিশ। ওয়ার্ক পারমিট না থাকায় বনিসহ আরো কয়েকজন ভারতীয় শিল্পী দেশে ফিরে যান। আটকে যায় ছবির শুটিং। সম্প্রতি শিল্পী সমিতিতে মাহির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত তিন লাখ টাকা পারিশ্রমিক দাবির অভিযোগ আনেন ছবির পরিচালক। ২০ সেপ্টেম্বর সমিতিতে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে সালিসও বসে।

এ বিষয়ে মাহি বলেন, ‘শুটিং আটকে যাওয়ার পরও দুইবার শিডিউল দিয়েছিলাম। প্রতিবারই শুটিংয়ের আগের রাতে ক্যানসেল করেছে ওরা। পরে আবারও আমার শিডিউল চেয়েছে, দিতে পারিনি বলে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হার্টবিট।

পরিচালক সমিতিতে বিচার বসিয়েছে। এর পরও আরো দুইবার শিডিউল দিয়েছি কিন্তু কোনোবারই তারা শুটিং করতে পারেনি। এখন আবারও তারা শিডিউল চাইছে। তাই অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি করেছি। ’ সালিসের বিষয়ে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, ‘আমরা পরিচালক ও মাহির কাছ থেকে পুরো ঘটনাটা শুনেছি। পুরোটাই প্রযোজকের ব্যর্থতা বলে মনে হয়েছে। একজন শিল্পী এক ছবির জন্য কতবার শিডিউল দেবেন! তবু আমরা সমঝোতার জন্য ফেব্রুয়ারিতে মাহিকে নতুন শিডিউল দিতে বলেছি। তবে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাড়তি পারিশ্রমিক দিতে হবে মাহিকে। ’

মাহি ও জায়েদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সুমন বলেন, ‘একটি ছবির শুটিং শেষ হতে দেরি হতেই পারে। এমন উদাহরণ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অনেক আছে। এ কারণে কোনো শিল্পী কখনো বাড়তি পারিশ্রমিক দাবি করেছেন বলে শুনিনি। এখন প্রযোজক যেটা সিদ্ধান্ত নেন আমি সেটাই মেনে নেব। ’