চিত্রনায়ক ওমরসানি ও মিশা সওদাগরের মধ্যে কেন এই রেষারেষি?
ফেসবুক লাইভে এসে চিত্রনায়ক ওমর সানি কড়া বাক্যবানে জর্জরিত করেছেন খলণায়ক মিশা সওদাগরকে। তিনি বলেন, একসময় মিশা সওদাগর ১০ হাজার টাকা মূল্যেরও আর্টিস্ট ছিল না। তার ব্যাকগ্রাউন্ড কী তাও জানেন ওমর সানি। শনিবার বিকালে বিএফডিসিতে নায়ক ফেরদৌসের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে উপস্থিত একদল সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে মিশা সওদাগর জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমীকে বয়স্ক অভিনেত্রী বলেন। এ কথার রেশ ধরে ওমর সানী আজ রবিবার লাইভে বলেন, ‘গতকাল (৮ জুলাই) একটি জায়গায় মিশা সওদাগর মৌসুমীকে বয়স্ক বলেছে। ও (মিশা) সব সময় বলে যে, ও ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশুনা করে তারপর আর্টিস্ট হয়েছে। মিশা তুমি কোন জায়গা থেকে এসেছো, তোমার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, সবই আমি জানি। মিশা তুমি মৌসুমীকে বয়স্ক বলেছো, এটাকে শিক্ষা বলে? তুমি কোন ক্লাসে পড়েছো, এটা আমার জানতে হবে। মৌসুমী যদি বয়স্ক হয়, তাহলে রোজিনা, অঞ্জনা, চম্পা আপার অবস্থান কোথায়? ববিতা বা শাবানা আপার কথা নাই বা বললাম। এই তোমার মানসিকতা? আমি উজ্জ্বল সাহেবকে বলেছিলাম- মিশাকে নিতে হবে। উজ্জ্বল সাহেব বলেছিলেন-মিশা আবার কে? আমি বলেছিলাম, একটা ছেলে আছে, ওকে ভিলেন হিসেবে নেন। তখন তোমার কী অবস্থান ছিল মিশা? দশ হাজার টাকার আর্টিস্ট ছিলা না। আর তখন আমার আর মৌসুমীর অবস্থান কোথায়? যৌথ প্রযোজনার ছবি প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, আমি যৌথ প্রযোজনার বিপক্ষে না। আমিও চাই যৌথ প্রযোজনার ছবি হোক। তবে সেটা নিয়মমাফিক হোক। ৫০-৫০ ভাবে হোক। প্রসঙ্গত, ফেরদৌসের শপথের সেই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন কেন মৌসুমী শপথ নেননি? কিংবা তার পদ কি খালিই থেকে যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিশা সওদাগর বলেন, ‘দেখুন উনি কলেজ পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা (নির্বাচন) দিয়েছেন। পাশও করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আনফরচুনেটলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি। তার মানে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (শিল্পী সমিতি) ছাত্রীই নন। কারণ তিনি শপথ গ্রহণ করেননি। যিনি আমাদের ছাত্রী নন তাকে নিয়ে তো আগ বাড়িয়ে ভাবনার কিছু নেই। হুম এটা ঠিক উনি বয়স্ক একজন অভিনেত্রী। উনাকে আমরা সম্মান করি।’ সেখানে মিশা আরও বলেন, ‘তার প্রতি ‘সম্মান’ জানানোর জন্যই ‘বয়স্ক’ কথাটি বলেছি। অন্যকিছু নয়। মানে তিনি অনেক ‘সিনিয়র’ অভিনেত্রী। সেই ১৯৯২ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে শুরু করেছেন। অনেকদিন ধরেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। ফলে উনি সব বিষয়েই জানেন, বোঝেন।’


