কণ্ঠশিল্পী হাবিব-রেহান বিচ্ছেদে যা বললেন ফেরদৌস ওয়াহিদ
বিচ্ছেদ হলেও হাবীবের সঙ্গে যোগাযোগ আছে রেহানের। এ ছাড়া বিচ্ছেদের পরেও স্ত্রী-পুত্রের দায়িত্ব নিজের কাঁধেই রেখেছেন এই শিল্পী। এমনটিই জানালেন এই শিল্পীর বাবা কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ।
ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন,‘আমি শত ভাগ নিশ্চিত সমঝোতার মধ্য দিয়েই আলাদা হয়েছে ওরা। মানুষের জীবনে কখন কি ঘটে আমরা কেউ জানি না। বিয়ের এত বছর পর ঠিক মতো বনিবনা না হওয়ায় ঠান্ডা মাথায় ওরা আলাদা থাকার পথ বেছে নিয়েছে। শাশুড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে হাবিবের স্ত্রী। সন্তান আলীমও দাদির আদর থেকে বঞ্চিত না।’
হাবিবের বাবা হিসেবে আমি আর কি বলবো। এতটুকুই বলতে পারি ঘটনাটি আমাদের কারও কাছে প্রত্যাশিত না। কিন্তু আমাদের কিইবা করার আছে। আমি জানি ওরা দু’জন সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজী অফিস গিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে আলাদা হয়েছে।’
রোবরার দুপুরে হাবিব নিজেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমি একটি খবর সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। গত ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭ দুর্ভাগ্যক্রমে আমার এবং রেহানের সমঝোতামূলক বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। আসলে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের ঘটনা নতুন কিছু নয় এবং আমাদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। বিগত ৫ বছরে আমরা একে অপরকে জানার সময় পাই এবং ক্রমে বুঝতে পারি যে আমাদের লাইফস্টাইল ভিন্ন এবং এক পর্যায়ে আমরা দুজনেই এটা উপলব্ধি করি যে আলাদা হয়ে যাওয়াটাই আমাদের দুই জনের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য সবচাইতে উত্তম সমাধান। আমাদের একটি পুত্র সন্তান আছে যার নাম আলীম ওয়াহিদ এবং অবশ্যই তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর মানসিক বিকাশের কথা সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমি সবসময় চাইবো আমার ও রেহানের মধ্যে সবসময় একটি পারস্পরিক সম্মানজনক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকুক।’
উল্লেখ্য, হাবিব প্রথম বিয়ে করেন ২০০৩ সালে। কয়েক বছর না যেতেই সে বিয়ে ভেঙে যায়। এরপর মডেল মোনালিসার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। তাদের বিয়েও প্রায় চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু হুট করেই হাবিব বিয়েতে অমত জানান।
এর কিছুদিন পরেই ২০১১ সালে চট্টগ্রামে কনসার্টে গান গাইতে গিয়ে গোপনে রেহান নামে বাঁশখালীর এক মেয়েকে বিয়ে করেন হাবিব। ঢাকা ফিরে এসে বিয়ের অনুষ্ঠান ধুমধাম করে পালন করবেন বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠেনি। এই সংসারও টেকাতেই পারলেন না হাবিব।


