জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন মৌসুমী-মিম-ফেরদৌস
তথ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার ২৬টি ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪’-এর পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেছে । জুরি বোর্ডের সদস্যদের বাছাই শেষে মনোনীত ব্যক্তিদের নাম পাঠানো হয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে। ২৪ ফেব্রুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ এতে স্বাক্ষরও করেছেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব জানা গেছে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী পরিচালক মুরাদ পারভেজের ধর্মের ঘোমটায় গ্রাম্য রাজনীতির মুখোশ খোলার চলচ্চিত্র ‘বৃহণ্নলা’ জিতে নিয়েছে ২০১৪ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ চরচ্চিত্রসহ মোট তিনটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে সরকারি অনুদানে নির্মিত এই ছবি। আর মুক্তিযুদ্ধের কাহিনীচিত্র ‘মেঘমল্লারের’ জন্য জাহিদুর রহিম অঞ্জন পচ্ছেন শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার। মাসুদ পথিক পরিচালিত সরকারি অনুদানের ছবি ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ এবার সর্বোচ্চ পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে।
তাঁরকাটা ’ ছবির জন্য মৌসুমী ও ‘জোনাকির আলো’তে অভিনয়ের জন্য বিদ্যা সিনহা মিম এবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার ভাগ করে নেবেন। আর ‘এক কাপ চা’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা ফেরদৌস আহমেদ পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
পুরস্কারের দৌড়ে সামান্য পিছিয়ে আছে সৈকত নাসির পরিচালিত ‘দেশা-দ্য লিডার’। চারটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে এ চলচ্চিত্র। তবে ‘দেশা দ্য লিডার’ ছবিতে গানের জন্য সেরা গায়ক নির্বাচিত হয়েছেন জেমস। এ ছবিতে ‘পতাকাটা খামচাতে কখনো আসে যদি’ গানটির জন্য এবারই প্রথম তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তুলতে যাচ্ছেন। যৌথভাবে সেরা গায়িকা নির্বাচিত হয়েছেন রুনা লায়লা (প্রিয়া তুমি সুখী হও) ও মমতাজ (নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ)। ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ছবির জন্য সেরা সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার ও রূপসজ্জা শিল্পী নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে সাইম রানা, মাসুদ পথিক, বেলাল খান ও আবদুর রহমান।
চলচ্চিত্র শিল্পে ‘গৌরবোজ্জ্বল ও অসাধারণ অবদানের’ স্বীকৃতি হিসেবে এবার অভিনেতা সৈয়দ হাসান ইমাম ও অভিনেত্রী রানী সরকারকে দেওয়া হচ্ছে আজীবন সম্মাননা।


