শিক্ষকের অসদাচারণে শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাঝে ক্ষোভ
খাগড়াছড়িতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুন কবীরের সঙ্গে সত্যব্রত নামে এক প্রধান শিক্ষকের অসদাচারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুন কবীর দায়ী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। অপরদিকে প্রয়োজনে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
খাগড়াছড়ি প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পানছড়ি উপজেলায় কৃষ্ট পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুপতা চাকমাকে খাগড়াছড়ি সদরের উত্তর খবংপুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডেপুটেশন আসার জন্য এক বছরের জন্য আদেশ হয়। এ আদেশকে অনন্তকাল করার জন্য শিক্ষক সমিতির সভাপতি সত্যব্রত ত্রিপুরা চাপ দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে। একই আদেশে দীঘিনালার বিভা তালুকদার ও অন্য এক সহকারী শিক্ষিকার নামও রয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুন কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জংজরী চৌধুরীর নির্দেশে সুপতা চাকমা নামে এক সহকারী শিক্ষিকাকে পানছড়ি থেকে খাগড়াছড়ি সদরে এক বছরের জন্য ডেপুটেশনে দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষক নেতা ডেপুটেশনের মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অপারগতা প্রকাশ করলে শিক্ষক নেতা তাকে এখান থেকে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে বলে হুমকি দেন।
অপরদিকে প্রধান শিক্ষক সত্যব্রত ত্রিপুরা শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে অসদাচারণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষা অফিসার মো. মামুন কবীর পছন্দের লোক হলে এক ধরনের এবং না হলে অন্য ধরনের আদেশ দেন। আমি শুধু তার প্রতিবাদ করেছি। এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে।


