প্রাথমিক সমাপনীতে পাসের হার ৯৮.৫২ শতাংশ
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে পাসের হার ৯৮.৫২ ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে পাসের হার ৯৫.১৩ শতাংশ। যা গত বছর প্রাথমিকে পাসের হার ছিল ৯৭.৯২ ও ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৮ শতাংশ। সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, এবার দুটি সমাপনীতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৮১ হাজার ৪৫৩ জন। এরমধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৯৮০ জন, অপরদিকে ইবতেদায়িতে পেয়েছে পাঁচ হাজার ৪৭৩ জন। যা গত বছরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৩০ হাজার ৮৫২। এরমধ্যে প্রাথমিকে দুই লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন, অপরদিকে ইবতেদায়িতে পেয়েছিল ছয় হাজার ৪৪১ জন। এর আগে সকালে গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।
প্রাথমিকে মোট পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে ২৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ জন। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৭৪ জন। অপরদিকে ইবতেদায়িতে অংশগ্রহণ করেছে দুই লাখ ৬৪ হাজার ১৩৪ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে দুই লাখ ৫১ হাজার ২৬৬ জন। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গত ২২ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ নভেম্বর।
ফল জানা যাবে-
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (www.dpe.gov.bd) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://dpe.teletalk.com.bd) থেকে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফল জানা যাবে। এছাড়া যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।
ইবতেদায়ীর ফলের জন্য EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে।


