‘আইএস টুপি’নিয়ে কারা ও পুলিশের দুই রকম তদন্ত রিপোর্ট
হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর লোগো যুক্ত টুপি নিয়ে কারাগার ও মহানগর পুলিশ দুই সংস্থার পক্ষ থেকে দুই তদন্ত কমিটির ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে। আদালতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে গত ২৭ নভেম্বর বুধবার হলি আর্টিজান মামলার রায়ের দিন দণ্ডিত দুই আসামির মাথায় আইএসের চিহ্ন সংবলিত টুপি কীভাবে এল, তা খতিয়ে দেখতে কারা কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে।
শনিবার তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেদিন আইএসের টুপি কারাগার থেকে যায়নি বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ডেপুটি আইজি প্রিজন্স টিপু সুলতান জানান, আইএসের চিহ্ন সংবলিত টুপির বিষয়ে কারা কর্মকর্তাদের গাফিলতি নেই। কারাগার থেকে টুপি সংগ্রহ করেনি আসামিরা। তবে কীভাবে আলোচিত হলি আর্টিজান মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রিগ্যানের মাথায় আইএস আদলে টুপি এল-তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাননি তিনি।
তিনি বলেন,‘আমাদের তদন্ত কমিটি কারাগার থেকে আইএসের চিহ্ন সংবলিত টুপি আসামিদের মাধ্যমে আদালতে যায়নি বলে নিশ্চিত হয়েছে।’
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ওই জঙ্গি যখন কারাগার থেকে এসেছে তখন এই টুপিটি তার সঙ্গেই ছিল। প্রাথমিকভাবে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। জঙ্গি রিগ্যান নিজেও বুধবার এজলাস থেকে প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় জানিয়েছিল, কারাগার থেকেই সে আইএসের লোগো সংবলিত টুপিটি নিয়ে এসেছিল।
গত ২৭ নভেম্বর বুধবার দুপুর ১২টার পর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান হামলা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে যে সাত জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে তাদের একজন রিগ্যান।


