English Version
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৬ ১৬:৪৯

‘মালতীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনে অন্ধকার যুগকেও হার মানায়’

অনলাইন ডেস্ক
‘মালতীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনে অন্ধকার যুগকেও হার মানায়’
“মালতী রাণী নামে এক গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মম ও বর্বর পাশবিক নির্যাতনে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন” হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম (সাগর)।
 
শনিবার (১৩ আগস্ট) ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময়ে তিনি মালতী রাণীকে নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
 
তিনি বলেন, প্রকাশ্যে একজন নারীকে গাছের সাথে বেঁধে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা অন্ধকার যুগকেও হার মানিয়েছে। যেভাবে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে তা মানবাধিকারের চরম লংঘন।
 
আশরাফুল আলম আরো বলেন, নির্যাতনের দৃশ্যই বলে দেয় মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশের এখনও অনেকটা পথ হাঁটা বাকি। আজও নির্যাতিত নারীদের বুক ফাটা আর্তনাদে সভ্য সমাজ কেঁপে ওঠে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে অনেক নারী এখনও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কখনো পাশবিক নির্যাতন আবার কখনো মানসিক। মোটকথা কোন না কোনভাবে নারীকে যেন নির্যাতিত হতেই হচ্ছে।
 
সাগর আরো বলেন, “সভ্যতা ও মানবাধিকার রক্ষার যুগে নারী নির্যাতন যে কত নির্মম অসভ্যতা এবং মানবাধিকারের লংঘন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।”
 

শুক্রবার বিকেলে মাগুরা সদর উপজেলার কুকনা ঘোষপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মালতি ওই গ্রামের রতন কুমার শীলের স্ত্রী।

মালতী রানী বলেন, ‘সম্প্রতি তার একটি ছাগল চুরি হয়। পরে একটি গরু চুরির সময় আমি চোরদের দেখে ফেলি। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে অভিযুক্ত ভরত, সুজন, স্বপন, রাজ কুমার, অসীম, শ্যামাপদ ঘোষসহ তার সহযোগীরা গত রোববার আমার স্বামী রতন ও আমাকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তারা আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে যান। এর পর থেকে আমার স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।’

চেয়ারম্যান সাগর বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু আইন ও নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে প্রয়োজন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনসহ সমাজ সচেতনতা তৈরিতে নারী-পুরুষ সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।