English Version
আপডেট : ২১ মে, ২০১৬ ২২:৪১

অবৈধভাবে গাছ কাটলেও নিরব প্রসাশন, হুমকির মুখে প্রতিবেদক

অনলাইন ডেস্ক
অবৈধভাবে গাছ কাটলেও নিরব প্রসাশন, হুমকির মুখে প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় বন আইন অমান্য করে সেগুন গাছ কাটাসহ দুস্কৃতিকারী  কর্তৃক ভূমি বিরোধদের জের ধরে কাঁঠাল পারাকে কেন্দ্র করে রক্তপাতের ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করায় এবার সংবাদের প্রতিবেদককে মামলাসহ হয়নারীর হুমকির দিচ্ছে দুস্কৃতিকারীরা।  

কোন খুটির জোরে কোন প্রভাবে অপরাধীরা অপরাধ করে প্রকাশ্যে বহাল তবিয়তে রয়েছে এ নিয়ে সচেতর মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে,দ্যঢাকাপোষ্টডটকমের প্রতিবেদক আল- মামুনকে নানা ভাবে হুমকিসহ মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

এ ঘটনায় গুইমারা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা সাংবাদিক নুরুল আলম, সভাপতি-আব্দুল আলী, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন চাকমা,সাংবাদিক দুলাল আহম্মদসহ পেশাজীবি সাংবাদিকরা এ ধরণের হুমকি সংবাদ পত্রের বন্তুনিষ্ঠ সংবাদে পরিবেশনে বাঁধার অন্তরায় বলে অখ্যায়িত করে জড়িত ঘটনার মুল হোতা জালিয়াপাড়ার স্থানীয় মৃত আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলেরা মো: আব্দুর খালেক গংদের তদন্ত সাপেক্ষে আটকসহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীসহ পেশাজীবি সাংবাদিকরা।   

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলেরা মো: আব্দুর রহিম, আব্দুর খালেক, মালেক, আলিম,আব্দুর আজিজ, সর্বসাং- জালিয়াপাড়া,  গুইমারা, খাগড়াছড়ি। তারা প্রকাশ্য দিনের বেলায় ভাড়ায় লোকজন নিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কেটেছে।

রহস্যজনক কারনে গাছ কাটার চারদিন পরেও লক্ষ লক্ষ টাকার সেগুন গাছ আটক করেনি স্থানীয় বন কর্মকর্তা। অভিযোগকারী মো: আবুল হাসেম বুধবার (১৮ মে) সকালে গুইমারা প্রেস ক্লাবে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। এর আগে একই বিরোধকৃত জায়গায় কাঁঠাল পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটলেও অভিযোগ না নিয়ে পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।