বুথ জালিয়াতির চারজন রিমান্ডে
এটিএম বুথ জালিয়াতির ঘটনায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় চারজনকে ছয় দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আসামিদের হাজির করে মামলার তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক সোহরাব মিয়া।
শুনানি শেষে বিচারক মাজহারুল ইসলাম প্রত্যেকের ছয় দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া একজন বিদেশি নাগরিক। নাম থমাস পিটার। রিমান্ডে নেওয়া অপর তিনজন সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা। এরা হলো- মোকসেদ আলম, বেজাউল করিম ও রেফাজ আহমেদ।
সোমবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার জানান, স্কিমিং ডিভাইসের সাহায্যে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও কার্ড ক্লোনিংয়ে জড়িত থাকা অভিযোগে এক বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও এ জালিয়াতিতে জড়িত থাকার সন্দেহে সিটি ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঢাকার বনানীতে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) একটি বুথের এটিএমে স্কিমিং ডিভাইস বসানোর সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে এক বিদেশি নাগরিক। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা পাওয়া ছবির ভিত্তিতে ওই বিদেশিকে আটক করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে কৌশলে টাকা তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে জানা যায়, আরও অন্তত ২১ জন গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে একইভাবে আনুমানিক ১০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা করা হলে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত এক বিদেশিসহ চারজনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।


