প্রচণ্ড গরমে ঘাটেই মারা গেলে ২০টি গরু
তীব্র যানজটের সঙ্গে প্রচণ্ড গরমে ছটফট করতে করতে শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরিঘাটে এ পর্যন্ত ২০টি গরুর মৃত্যু হয়েছে।
গত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই তিন দিনে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন ব্যবসায়ীর এসব গরুর মৃত্যু হয়।
গরুগুলোর বাজার মূল্য ৩০ লক্ষাধিক টাকা। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরুগুলো নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে যাচ্ছিল ব্যবসায়ী ও খামারিরা।
এছাড়া পারাপারের অপেক্ষায় থাকা আরও অনেক গরু আহত অবস্থায় দেখা গেছে। গরু নিয়ে নিরুপায় ব্যবসায়ীদের অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন। নিজেদের সম্বল ও পুঁজি বাঁচাতে ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধি ও দ্রুত পারাপারের দাবি জানিয়েছে তারা।
জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হঠাৎ করেই এ রুটে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৬টি ফেরি চলমান থাকলেও গাড়ির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।ঘাট থেকে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। সঙ্গে প্রখর রোদে তীব্র গরম। এমতাবস্থায় কোরবানির পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে খামারি ও ব্যবসায়ীরা। হার্টফেল করে মারা যাচ্ছে অনেক গরু। এছাড়া যাত্রীবাহী বাসের যাত্রীদের ভোগান্তি চলছেই।
বিআইডব্লিটিসির ম্যানেজার আব্দুল মমিন মিয়া বলেন, আমাদের ৬টি ফেরি চলমান আছে, আরও একটি আসতেছে। শুনেছি এ পর্যন্ত ঘাটে অপেক্ষমাণ ২০টি গরু মারা গেছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। গরুর গাড়ি, কাঁচামালের গাড়ি ও যাত্রীবাহী বাসকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুতই এ ভোগান্তি কমে যাবে।


