টেকনাফে তিন সহোদরকে গুলি, নারীসহ দুই রোহিঙ্গা গ্রেফতার
কক্সবাজারের টেকনাফে স্থানীয় তিন সহোদরকে গুলি করার অভিযোগে নারীসহ দুই রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন পুলিশ সদস্যরা।গতকাল শনিবার দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবির এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এপিবিএন ১৬ আর্মড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তারিক সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন। গ্রেফতার রোহিঙ্গারা হলেন- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবিরের সি-৮ ব্লকের মোহাম্মদ বশরের ছেলে মো. ফজল হক (৫০) এবং মোহাম্মদ জামালের স্ত্রী হামিদা খাতুন (২৫)।
এর আগে গত ৩০ জুন ভোররাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের শরণার্থী ক্যাম্প সংলগ্ন দমদমিয়া নেচার পার্ক এলাকায় কয়েকজন ‘রোহিঙ্গা’ স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বাড়ির সদস্যদের মারধর করার পাশাপাশি গুলি ছোড়ে। এতে মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ সালামত উল্লাহ (২৫), মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ (২১) এবং মোহাম্মদ হাসান উল্লাহ (১৫) গুলিবিদ্ধ হন।এ ঘটনায় ওইদিন সন্ধ্যায় মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা করেন। গ্রেফতাররা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানান এপিবিএন অধিনায়ক তারিকুল।
তিনি বলেন, শনিবার দুপুরে এ মামলার কয়েকজন আসামি ২৭ নম্বর জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান করছে সংবাদ পায় এপিবিএন। এরপর একটি দল অভিযান চালানোর সময় কয়েকজন আসামি পালিয়ে গেলেও নারীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারদের মধ্যে মো. ফজল হক জাদিমুরাসহ বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় ‘অপহরণ, ডাকাতি, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং নানা অপকর্মে জড়িত’ থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতার নারী হামিদা খাতুনের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তদের নানাভাবে সহায়তা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


