English Version
আপডেট : ১০ জুন, ২০২১ ১৩:৫৬

নওগাঁয় শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস ভাংচুর, চুরি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
নওগাঁয় শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস ভাংচুর, চুরি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

নওগাঁয় শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস ভাংচুর, চুরি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গতকাল বুধবার রাতে মামলা হয়েছে। নওগাঁয় ট্রাক ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ সাপাহার শ্রমকল্যাণ উপকমিটির অফিস ভাংচুর, চুরি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে অপর সংগঠন ২৩৮ ও ২৬৫৮ সাপাহার লোড পয়েন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা (সাপাহার লোড পয়েন্ট) ট্রাক ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ২৩৮ ও ২৬৫৮ সংগঠনের সাথে নওগাঁ জেলা ট্রাক ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ সাপাহার শ্রমকল্যাণ উপকমিটির সাথে বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সাপাহার থানা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে চালানের টাকা কাটার বিষয়টি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য গত বুধবার বিকালে (৯ জুন) সাপাহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান আলীর চেম্বারে বৈঠক হয়। এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেয় উভয় সংগঠন মিলেমিশে চালান বিক্রি করবে। কিন্তু বিবাদী ২৩৮ ও ২৬৫৮ সংগঠনের সদস্যরা উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বের হয়ে যায়। এরপর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৫০ সংগঠনের ট্যাংরাকুড়ি অফিসে এসে তাণ্ডব চালায়। এ সময় তাদের কাছে থাকা বাঁশের লাঠি, লোহার রড, রামদা, ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্প্রে মেশিন, খাট, টেবিল, চেয়ার ভাংচুর করে নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও করোনা ভাইরাসে ব্যবহৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাক্স ও ডেটলসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এতেও তারা ক্ষান্ত না হয়ে উপজেলার সদরে এসে গোডাউনপাড়া মোড়ে নওগাঁ জেলা ট্রাক ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাপাহার উপজেলার শ্রমকল্যাণ উপ-কমিটির সদস্য আবু হোসেনের বাড়িতে ঢুকে বাড়ির জিনিসপত্র ভাংচুর করে। এ সময় তার স্ত্রীর সাথে শ্লীলতাহানি করে এবং স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। 

এ ঘটনায় নওগাঁ জেলা ট্রাক ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ সাপাহার শ্রমকল্যাণ উপকমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বাদী হয়ে অপর ২৩৮ ও ২৬৫৮ সংগঠনের সদস্য মো. আব্দুর রহমান, মো. মঈনুদ্দীন, কালা বাবুল, শামছুল হোসেন, গোলাপ হোসেন, মুক্তরুল, ইউনুস, জিয়া, তপু, রাসেল, সোহাগ, রুবেল, বাইদুর, সাইদুর, শামীম, সাখোয়াত, মোকছেদুলসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে গত বুধবার রাতে (৯ জুন) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।এ বিষয়ে সাপাহার থানার ওসি তারেকুর রহমান বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।