শরণখোলায় চলাচলের রাস্তা কাটায় ১৫ পরিবার অবরুদ্ধ
বাগেরহাটের শরণখোলায় পথচারীদের চলাচলের রাস্তা কেটে চাষের জমির সাথে মিলিয়ে দিয়ে ১৫টি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলার ধানাসগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামের ওই রাস্তাটি কেটে ফেলা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে ওই গ্রামে গেলে ভুক্তভোগী সমির হালদার,পুলিন ঢালী, সুখরঞ্জন হালদার ও সুরেন হালদার জানান, স্বাধীনতার পর থেকে তারা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করছেন। সরকারের অর্থে একাধিকবার এই রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সংসদ সদস্য রাস্তায় ইট বসানোর জন্য টাকাও বরাদ্দ দিয়েছেন। হঠাৎ করে রবিবার সকালে রতিয়া রাজাপুর গ্রামের প্রভাবশালী বিকাশ হালদার, অমল হালদার, ফণিভূষণ হালদার ও গৌতম হালদার তাদের ভাড়াটে লোকজন নিয়ে কোদাল ও খুন্তি দিয়ে পঞ্চাষ বছরের পুরনো প্রায় ৬০০ ফুট রাস্তার মাটি উপড়ে চাষের জমির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। ফলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে ওই রাস্তার পাশে থাকা ১৫টি পরিবার। এখন তাদের পথচলা বন্ধ হয়ে গেছে।
তবে, অভিযুক্ত বিকাশ হালদার ও অমল হালদার বলেন, এটা কোনও সরকারি রাস্তা নয় তাদের রেকর্ডভুক্ত জমি তারা চাষের জমির সাথে মিলিয়ে নিয়েছেন।ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু জানান, রতিয়া রাজাপুর গ্রামের ওই রাস্তার মাটি কাটতে নিষেধ করেছিলাম। তারা তা অমান্য করে মাটি কেটে সমান করে মানুষের পথ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ঘটনাস্থলে সার্ভেয়ার পাঠানো হয়েছে। চলাচলের রাস্তা কাটার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


