জমে ওঠেনি ঝিনাইদহের ঈদবাজার
ঈদের বাকি আর মাত্র ৩ দিন। তবে ঝিনাইদহের ঈদ মার্কেটগুলো এখনও জমে উঠেনি। তাই বসে-শুয়ে অলস দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদকে সামনে রেখে জমকালো পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। তবে বিকিকিনি প্রত্যাশিত না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক দোকানি।
শুক্রবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলী সড়ক, মুন্সি মার্কেট, বিবি রোড, নিউমার্কেট, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটে, বিভিন্ন বিপণি বিতান ও ফুটপাতগুলোতে একই অবস্থা বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
তারা জানান, প্রতি বছর কোরবানির ঈদে যে পরিমাণ বিক্রি হয়, এবার তা হচ্ছে না। কিছু ক্রেতার আনাগোনা থাকলেও বেচাকেনা একেবারেই নেই।
নিউ এস ব্রার্দাসের স্বত্বাধিকারী আমল কর্মকার সাংবাদিককে বলেন, ‘শুক্রবার ছুটির দিন আমার দোকানে বেচাকেনা নেই। বসে-বসে অলস সময় কাটাচ্ছি। আশা করছিলাম ঈদের আগে বেচাকেনা ভালো হবে। কিন্তুু ক্রেতা নাই।’
শাহিন গার্মেন্টসের কর্মচারী মিঠু হোসেন বলেন, ‘গত বছর কোরবানির ঈদে ভালো বেচাকেনা ছিলো। সে তুলনায় এই বছর বিক্রি নেই। আমরা বসে দিন কাটাচ্ছি।’
ব্যবসায়ী আফাঙ্গীর হোসেন জানান, এ বছর বেচাকেনা না থাকায় কর্মচারীদের বেতন, বোনাস দিতে সমস্যা হচ্ছে। আশা করেছিলাম ঈদের কয়েকদিন আগে ভালো বিক্রি হবে। কিন্তুু ক্রেতাদের আনাগোনা একেবারেই কম।
‘এ বছর কৃষকের হাতে টাকা কম থাকায় পোশাক বিক্রি কম হচ্ছে। কিছু চাকরিজীবী ও বড়-বড় ব্যবসায়ীরা কম-বেশি কাপড় কেনাকাটা করছেন। সাধারণ মানুষের আনাগোনা যে কারণে কম’- বলেন সিটি হাউজ ফ্যাশনের মালিক আব্দুর রাজ্জাক।
দোকানের ভেতর ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে শুয়ে থাকতে দেখা গেলো। শুয়ে থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মানুষের হাতে টাকা নাই ভাই। বেচা-বিক্রি প্রায় বন্ধ। লোকজন আসছে না, তাই শুয়ে আছি ভাই।’


