বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাংচুর
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় গোমতিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক হোসেনের নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় লিখিল অভিযোগ করলেও তা আমলে নেননি এমন অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৮ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি অভিযোগ করলে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এঘটনায় সরকার দলীয় নেতাকর্মী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর নেতাকর্মীদের মাধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার দিন রাতে মাটিরাঙা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শামসুল হককে প্রধান বিবাদী করে ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিতভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ফারুক হোসেন।
প্রার্থী ফারুক হোসেন জানান, সভাপতি শামসুল হক ও সুভাষের নেতৃত্বে একদল ক্যাডার রাত আটটার দিকে গোমতি বাজারে হামলা চালিয়। এসময় তার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে হুমকি প্রদর্শনকরে। এনিয়ে রাতেই মাটিরাঙ্গা থানায় অভিযোগ করা হলেও তার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এসময় তিনি অভিযোগ করেন, গোমতি ইউনিয়নে স্বজনপ্রীতি করে শামসুল হক তার আপন ভাতিজা তোফাজ্জল হোসেন (নৌকা প্রতীক) টিকেট দিয়ে আমার সু-নিশ্চিত জয়কে বানচালের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
প্রার্থী ফারুক হোসেনের অভিযোগ অস্বীকার করে শামসুল হক জানান, গোমতি বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তবে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুরের বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে জানান।


