পাইকারি বাজারে কমেছে নিত্যপণ্যের দাম
সরবরাহে ঘাটতি না থাকায় রাজধানীর পাইকারি বাজারে কমেছে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। চালের বাজারে মিনিকেট, আটাশ, নাজিরশাইলের দাম কমেছে বস্তাপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা।
কমতির দিকে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আর ডালের বাজারও। তবে স্থিতিশীল রয়েছে চিনি, আটা ও ভোজ্যতেলের দাম। শিগগিরই কোন পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই বলে জানান পাইকাররা।
চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। খোলাবাজারে চাল বিক্রি কিংবা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি। সরকারে এমন বিভিন্ন কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।
রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই কমতির দিকে সবধরনের চাল। কেজিতে ২টাকা কমে মিনিকেট ৪৮, আটাশ ৩৮ আর নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায়।
সুখবর আছে পেঁয়াজের বাজারেও। দেশী পেঁয়াজ কেজিতে ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। স্থিতিশীল রয়েছে আদা ও রসুনের দাম।
স্বাভাবিক রয়েছে ডালের বাজার। দেশি মসুর বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৭৬ টাকা। আর আমদানি করা মসুর ৪৬ টাকা। কমেছে খোলা সয়াবিন ও পামওয়েলের দাম।
নাগালের মধ্যেই আছে মসলার দামও। এলাচ প্রতিকেজি মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৬৫০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকায়। লবঙ্গ এক হাজার থেকে ১১শ' টাকা কেজি দরে।


