English Version
আপডেট : ১০ জুন, ২০১৮ ১১:৩২

শুল্ক বৃদ্ধিতে নকল প্রসাধনীর অবৈধপথে আমদানি বাড়বে

অনলাইন ডেস্ক
শুল্ক বৃদ্ধিতে নকল প্রসাধনীর অবৈধপথে আমদানি বাড়বে

প্রতি অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় কিছু পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করে সরকার, তেমনিভাবে শুল্ক কমানোও হয় কিছু পণ্যের ওপর থেকে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি হচ্ছে স্থানীয় বাজারে পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত ও দাম আমদানি পণ্যের সঙ্গে যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা।

প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্ক বাড়ার প্রস্তাবে দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়বে নকল প্রসাধনীর, এমনকি বেড়ে যাবে অবৈধপথে আমদানিও। এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

তাদের দাবি, মুঠোফোনের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের ব্যাহত হবে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন। আবার, সুপারশপের কেনাকাটায় সারচার্জ আরোপের প্রস্তাবেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে নগরজীবনে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে, আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কারণে দেশের বাজারে বাড়তে যাচ্ছে সব ধরণের প্রসাধনী, আর সাবান শ্যাম্পুর দাম। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এতে বাড়বে চোরাপথে পণ্য আর নকল সামগ্রীর সরবরাহ।

ক্রেতারা বলেন, প্রতিবছরই বাজেটে এভাবে দাম বাড়লে মানুষ অন্যভাবে সংগ্রহ করার চেষ্টা করবে। হয় চায়না তা না হলে নকল পণ্যের ব্যবহার বেড়ে যাবে।

আসছে অর্থবছরে সুপারশপে কেনাকাটায় অতিরিক্ত এক শতাংশ সারচার্জ আরোপের প্রস্তাবে নাখোশ ভোক্তা কিংবা ব্যবসায়ী প্রত্যেকেই। ভোক্তার ভাবনা, জীবনযাত্রায় আসবে বাড়তি চাপ, ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা ক্রেতা হারানোর।   ভোক্তারা বলেন, ভ্যাট নিয়ে যারা জানে তারা কিছু বলে না। কিন্তু যারা জানে না তারা অনেক কথা বলে। আর এ কারণে নাগরিক জীবনে প্রভাব ফেলবে।

বাজেট পরবর্তী সময়ে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে মুঠোফোন বাজারে। ভোক্তারা বলছেন, তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের চিন্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক মুঠোফোনের উপর ভ্যাটের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত।

ভোক্তারা বলেন, তথ্য প্রযুক্তিতে দেশ আগায় যাচ্ছে। বাজেটে তো দাম সহনীয় হওয়া দরকার। দাম যদি দেড় হাজার থেকে দুই হাজার হয় বেড়ে যায় তাহলে তারা কেনার ব্যাপারে চিন্তা করবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্ক কমানোর কারণে জুলাই থেকে কমতে পারে দেশে উৎপাদিত মুঠোফোন, সব ধরণের শিশুখাদ্য, ফলের জুস আর মাছ মাংসের দাম। আমদানি শুল্ক হ্রাসের কারণে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ট্যাব ছাড়াও বেশ কিছু প্রযুক্তি পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনায় স্বস্তিও রয়েছে জনমনে।