অর্থ উদ্ধারে অনিশ্চয়তা, একবছরে পাওয়া গেছে অর্ধেকেও কম
ঢাকা : রিজার্ভ চুরির ১ বছর পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া অর্থের অর্ধেকেরও কম। বাকি সাড়ে ৬ কোটি ডলার ফেরত পাওয়া নিয়েও রয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন অর্থমন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সময় ক্ষেপণের কারণেই অর্থ উদ্ধারে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থায় খুত দ্রুতই এই অর্থ ফেরত পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থপ্রতিমন্ত্রী।
হ্যাকিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ নিউইয়র্ক কে বাংলাদেশের রিজার্ভ থেকে অর্থ স্থানান্তরের ৩৫ টি নির্দেশনা যায়। যার মধ্যে ৫টি নির্দেশনা কার্যকরী হয়। বেহাত হয়ে যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার।
অর্থ উদ্ধারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বই কারণ বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সাবেক ডেপুটি গভর্ণর ইব্রাহিম খালেদ।
অর্থ উদ্ধারের ধীরগতি হয়ে গেছে স্বীকার করে অর্থ প্রতিমন্ত্রী জানান শুরুতে ফিলিপাইন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করলেও এখন তাদের সেই আন্তরিকতা অনেকটাই কমে গেছে।


